মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
হাজিরা খাতায় অগ্রিম স্বাক্ষর অনুপস্থিত মাদ্রাসা শিক্ষকের, সুপারকে শোকজসংসদীয় কমিটির বৈঠক: বিমানের টিকিটের দাম ও ফ্লাইট বিলম্ব নিয়ে প্রশ্নরাজধানীর আগারগাঁও ও সোবহানবাগে ককটেল বিস্ফোরণতাহসিফের লাশ উদ্ধার: দীপ-দিশার বক্তব্য মেলাচ্ছে পুলিশফের গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে শিবিরের প্রতিবাদ, বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবিরাজধানীর দুই স্থানে ককটেল বিস্ফোরণমাদক ছাড়তে বলায় স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তারদেশের ক্রিকেটারদের জন্য সুখবরের আভাস দিলেন তামিমদুই দফায় এলপিজির দাম বাড়ানো কোনোভাবেই জনস্বার্থসম্মত নয়: এবি পার্টিসান্তাহারে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করায় ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
বিজ্ঞাপন

বাণিজ্য মেলার অবশিষ্টাংশ গুড়িয়ে দিয়ে মাঠ চাষ করলেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৩ পিএম
বাণিজ্য মেলার অবশিষ্টাংশ গুড়িয়ে দিয়ে মাঠ চাষ করলেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার অবশিষ্ট স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়ে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ট্রাক্টর দিয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

এদিন সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা স্ট্যান্ডের সামনে সমবেত হয়ে কেন্দ্রীয় খামারের দুটি ট্রাক্টরসহ মিছিল নিয়ে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে উপস্থিত হন শিক্ষার্থীরা। এসময় মাঠে থাকা মেলার অবশিষ্ট স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে ট্রাক্টর দিয়ে মাঠে চাষ দেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন গবেষণা মাঠ হিসেবে পরিচিত এই জায়গায় সচিবালয় স্থাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং মাঠটি ফেরত পেতে পাঁচদিন ধরে টানা আন্দোলন করছেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা। এর আগে মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আয়োজক কমিটিকে বন্ধের আল্টিমেটাম দেন তারা। মেলার কার্যক্রম বন্ধ না হওয়ায় একপর্যায়ে মেলার বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুরও চালানো হয়। পরে মন্ত্রণালয় থেকে মেলা বন্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হলেও মাঠে মেলার অবশিষ্ট স্থাপনা সরানো হয়নি। এর প্রতিবাদেই সোমবার স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দিয়ে মাঠে চাষ দেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী রাফিউর রহমান রুহান বলেন, এই মাঠ শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়, বরং পুরো এলাকার জন্য একটি ফুসফুস। ঐতিহাসিক এই গবেষণার মাঠে সচিবালয় স্থাপন করা হলে পুরো এলাকার জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হবে। মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সেখানে সবুজায়ন করা হলে পুরো অঞ্চল রক্ষা পাবে।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...