শেরপুরে এক কুকুরের তাণ্ডবে শতাধিক নারী-শিশু আহত

শেরপুরে একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী-শিশু ও পুরুষসহ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত সদর উপজেলার ভাতশালা ও লছমনপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে এ তাণ্ডব চালায় কুকুরটি।
আহতরা হলেন মামুন মিয়া (৩৫), আবুল হোসেন (৬০), আইজউদ্দিন, হাশেম আলী (৪৩), রাবেয়া (৬), অন্তর মিয়া (১১), আজিরন বেগম (৫৫), ছালমা বেগমসহ (৪১) শতাধিক।
স্থানীয়রা জানান, ভোরে একটি পাগলা কুকুর ভাতশালা ইউনিয়নের অস্বাভাবিকভাবে এদিক-ওদিক দৌড়াতে থাকে। কুকুরটি যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়েছে। পরে ওই কুকুরটি লছমনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামেও এ তাণ্ডব চালায়। কুকুরের কামড়ে আহত হন নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বিভিন্ন বয়সি শতাধিক মানুষ। কারও শরীরে কামড়ের ক্ষত, আবার কারও হাত-পায়ে রয়েছে গভীর আঘাত। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে, কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে, জনবল সংকটের কারণে ভ্যাকসিন দিতে কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে রোগী ও স্বজনদের।
হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, কুকুরের কামড় ও আঁচড়ে রক্তাক্ত হওয়া রোগীদের ক্ষতস্থান সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে দ্রুত জলাতঙ্কের প্রতিষেধক দেওয়া হচ্ছে। তবে, জনবল সংকটের কারণে একজন সেবিকা (নার্স) ভ্যাকসিন দিচ্ছেন। এতে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় লাইনে আনসার সদস্যদের সঙ্গে হট্টগোল দেখা গেছে।
চিকিৎসা নিতে আসা শিশুর স্বজন আলিম মিয়া বলেন, সকাল ১১টার দিকে কুকুর কামড়িয়েছে। হাসপাতালে এনে লাইনে বসে আছি, এখনো সিরিয়াল পাইনি। আনসাররা আমাদের বের করে দিয়েছে।

