নির্বাচন অফিসে সেবা গ্রহীতাকে দরজা বন্ধ করে মারধরের অভিযোগ

ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি নির্বাচন অফিসে গিয়ে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে যায়।
তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিনহাজুল ইসলাম। তার দাবি, রবিউল ইসলাম যে কাগজপত্রগুলো নিয়ে এসেছেন, সেগুলোতে ব্যাপক অসংগতি রয়েছে। তার বাবা দুটি বিয়ে করলেও ওয়ারিশ সনদে সেই তথ্য গোপন করা হয়েছে। এ ছাড়া রবিউলের বোন স্বপ্নার জন্ম ২০০২ সালে হলেও একটি সনদে জন্মসাল ১৯৭৫ উল্লেখ করা হয়েছে। এসব কাগজপত্র সংশোধন করে নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল।
নির্বাচন কর্মকর্তা আরও বলেন, বিষয়টি সমাধানের জন্য তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচথুবী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেন। চেয়ারম্যান বিষয়টি যাচাই করে জানাবেন বলে জানান। কিন্তু এ সময় রবিউল তাকে গালাগাল করেন এবং উত্তেজিত হয়ে ভিডিও ধারণ করতে শুরু করেন। একপর্যায়ে কর্মচারীরা তাকে চেয়ারে বসতে বললে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ভিডিওতে দেখা যাওয়া পরিস্থিতি ওই ঘটনারই অংশ। তবে তাকে মারধর করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম এশিয়া পোস্টকে বলেন, ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করার জন্য ওই যুবক এসেছিলেন বলে তারা নিশ্চিত হয়েছেন। তবে নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ধরনের অনভিপ্রেত পরিস্থিতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

