এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের

তবে সে সময় কিউল দাবি করেছিলেন, ঘটনাটি আরও দূর এগোয়নি। তাঁর ভাষায়, ‘আমি যতটা সম্ভব চেষ্টা করেছিলাম। শেষ পর্যন্ত আমি বলেছিলাম, ‘আগে কথা বলি’ বা এ রকম কিছু। তারপর তিনি ধীর হয়ে যান।’ ছয় ফুট এক ইঞ্চি উচ্চতার সাবেক এই মডেলের বক্তব্য ছিল, তাঁর শারীরিক উচ্চতাই সম্ভবত তাঁকে কথিত যৌন আক্রমণ আরও গুরুতর হওয়া থেকে ‘বাঁচিয়েছিল।’
দ্য ডেইলি মেইল আরও জানিয়েছিল, কিউলের এক দীর্ঘদিনের বন্ধু দাবি করেছিলেন, প্রায় ২০ বছর আগেই কিউল তাঁকে ট্রাম্পের অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন আচরণের কথা প্রথম জানিয়েছিলেন। ওই বন্ধুর বক্তব্য অনুযায়ী, পরবর্তী বছরগুলিতে কিউল ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে নিজের বক্তব্য পরিবর্তন করেননি।
অভিযোগ অস্বীকার হোয়াইট হাউসের
২০২৪ সালে কিউলের অভিযোগ সামনে আসার সময় ট্রাম্পের তৎকালীন প্রেস সচিব ক্যারোলিন লিভিট সেগুলিকে ‘ভুয়া’ বলে বর্ণনা করেছিলেন। সদ্য প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কেও হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, এপস্টিন-সংক্রান্ত কোনও বিষয়েই ট্রাম্পকে দায়ী করা যায় না এবং তিনি এ বিষয়ে ‘সম্পূর্ণভাবে অভিযোগমুক্ত’ হয়েছেন।
মুখপাত্র বলেন, ‘এই তথাকথিত প্রতিবেদনটি উন্মত্ত ডেমোক্র্যাটদের একটি মরিয়া প্রচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঐতিহাসিক সাফল্যের জেরে রিপাবলিকানদের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক শক্তি থেকে মার্কিন নাগরিকদের মনোযোগ সরিয়ে দেওয়াই এর উদ্দেশ্য।’
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক চাপে রিপাবলিকানরা
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে। এপস্টিন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশ এবং সেগুলি সামলানোর ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি রিপাবলিকান প্রার্থীদের রাজনৈতিক চাপের মুখে ফেলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্প নিজে প্রার্থী নন। তবে এপস্টিন-সংক্রান্ত নথি নিয়ে তাঁর প্রশাসনের ভূমিকা এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের জেরে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ নির্বাচনী লড়াইয়ে রিপাবলিকানদের জন্য সমস্যা তৈরি করেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও যৌন হেনস্থার অভিযোগগুলি ডেমোক্র্যাটদের প্রতিবেদনে উত্থাপিত দাবি। এগুলিকে আদালতে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। হোয়াইট হাউস অভিযোগগুলি অস্বীকার করেছে।

