মেট্রোরেলের সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতীয় কোম্পানি

প্রকল্পটিতে দুটি রুট রয়েছে। এর মধ্যে কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত এয়ারপোর্ট রুট এবং নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত বিস্তৃত পূর্বাচল রুট অন্তর্ভুক্ত। পুরো প্রকল্পে ১৯টি স্টেশন এবং পিতলগঞ্জে একটি ডিপো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল করিডর লাইন-৬-এর সমন্বিত রেলওয়ে সিস্টেমের কাজ করেছিল এলঅ্যান্ডটি। প্রতিষ্ঠানটি ওই কাজ সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে লাইন-৬ বাণিজ্যিকভাবে চালু রয়েছে।
এলঅ্যান্ডটির পরিবহন অবকাঠামো বিভাগের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান রামকুমার এস বলেছেন, ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬-এর বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিকব্যবস্থার কাজ নির্ধারিত সময়ে এবং মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার অভিজ্ঞতা লাইন-১ প্রকল্পেও কাজে লাগানো হবে।
একাধিক প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার সমন্বয় ও বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক এবং অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার সক্ষমতা রয়েছে। সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা মেট্রোর কাজও পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি, যা বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেছেন, বিভিন্ন মূল সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান (ওইএম) এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে একাধিক ব্যবস্থার নির্বিঘ্ন সমন্বয় ও বাস্তবায়নে অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে এলঅ্যান্ডটি ভালো অবস্থানে রয়েছে।
লাইন-১-এর গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেমগুলোর নির্মাণ ও স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হলে রাজধানীর গণপরিবহনব্যবস্থা আরও আধুনিক ও কার্যকর করার ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

