ইরানের যে ৫ শর্ত মানলে বন্ধ হবে যুদ্ধ

দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাঁচ দফা শর্তের কথা জানিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। এদিকে কৌশলগত কেশম দ্বীপে রাতভর মার্কিন হামলার পরও তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সমঝোতার বিষয়ে আশাবাদী কাতার। দেশটির আশা, উভয় পক্ষ একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারবে, যা ভবিষ্যতে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার পথ প্রশস্ত করবে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল আলী আবদুল্লাহির প্রস্তাবে লেবানন ও গাজা উপত্যকাসহ সব রণাঙ্গনে শত্রুতার অবসান, নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার, ইরানের জব্দ করা সম্পদ অবমুক্ত এবং যুদ্ধকালীন ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
আলজাজিরা জানিয়েছে, প্রস্তাবে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি ও পশ্চিম এশিয়ার জন্য একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তাকাঠামো গড়ে তোলার কথাও বলা হয়েছে। এর আওতায় ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসন চালানো হবে না, সেই নিশ্চয়তা চাওয়া হয়েছে।
এমন এক সময়ে ইরানের এই প্রস্তাব এল, যখন কাতার মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি মঙ্গলবার দোহায় সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বলেন, কাতারের একটি প্রতিনিধিদল সোমবার তেহরানে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিন ঘণ্টার বেশি সময় বৈঠক করে। ওই দিন সন্ধ্যায় প্রতিনিধিদলটি দোহায় ফিরে আসে। দুই পক্ষ এখন কাতারের প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে। মধ্যস্থতাকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে দুই পক্ষের মধ্যে প্রস্তাব বিনিময় করছেন।

