তরুণ চাকরি প্রার্থীদের জন্য ৭ পরামর্শ

আপনারও দেওয়ার মতো কিছু আছে
চাইলে নিজের কাজের সুযোগ নিজেই গড়ে নিতে পারেন। শুরুটা হোক যেকোনো
জায়গায়, যেকোনোভাবে।
ধরুন, কোনো প্রতিষ্ঠানকে প্রস্তাব দিলেন, কয়েক মাস শুধু কমিশনের বিনিময়ে কাজ করবেন। সেখানে বানাতে পারেন বিপণনসামগ্রী, লিখতে পারেন প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের প্রতিবেদন, রেকর্ড করতে পারেন সাক্ষাৎকার, কিংবা হাত লাগাতে পারেন বিক্রি বাড়ানোর কাজে। প্রতিটি কাজই কোনো না কোনোভাবে প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়ায়।
নতুন স্টার্টআপ বা অনুপ্রেরণাদায়ী কোনো উদ্যোক্তার সঙ্গে কাজ করলে যে অভিজ্ঞতা মিলবে, ঘরে বসে এক মাস আবেদন পাঠানোর চেয়ে তার দাম অনেক বেশি। কঠিন সময়ে সুযোগ আসে তাঁদেরই কাছে, যাঁরা ঝুঁকি নিতে ভয় পান না, নিজের যোগ্যতা প্রমাণে এগিয়ে আসেন। মনে রাখুন, অন্যকে দেওয়ার মতো মূল্যবান কিছু আপনারও আছে।
এভাবে শুরু করলে নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় হবে, দৃষ্টিভঙ্গি বদলাবে, সামনে এগোনোর গতিও পাবেন।
প্রস্তাব এলে গ্রহণ করুন
নিয়োগদাতারা পছন্দ করেন সেই মানুষদের, যাঁরা কাজে আগ্রহী এবং সেই মনোভাবের প্রমাণ দিতে পারেন। কাজে যোগ দিন।
আরও ভালো কিছু না পাওয়া পর্যন্ত, কিংবা নিজের যোগ্যতায় ভালো জায়গায় পৌঁছানো পর্যন্ত চালিয়ে যান।
পরিচিত ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য চাইতে সংকোচ নয়
যোগাযোগ বাড়ান, যোগাযোগ বাড়ান, যোগাযোগ বাড়ান। নিজের এবং আশপাশের মানুষের পরিচিত সবাইকে কাজে লাগান।
এতে লজ্জার কিছু নেই। আপনার পরিচিত কেউ হয়তো এমন একজনকে চেনেন, যিনি চেনেন আরেকজনকে। সেই মানুষটিই হয়তো আপনার সামনে চাকরির দরজা খুলে
দেবেন, কিংবা আপনার হয়ে দুটো ভালো কথা বলবেন।
দ্বিতীয় পরামর্শ, যোগাযোগের পর খোঁজ নেওয়া থামাবেন না। কেউ যদি বলেন, আপনার কথা কাউকে বলবেন বা ইমেইল পাঠাবেন, তাঁকে ধন্যবাদ জানান। তবে
কথা সেখানেই শেষ করবেন না। ঠিক করে নিন, বিষয়টি নিয়ে আবার কবে
যোগাযোগ করবেন।

