লন্ডনে ফ্ল্যাট না কিনে কম দামে নির্জন দ্বীপ কিনেছিলেন বেয়ার গ্রিলস

দ্বীপে যাতায়াতও সহজ ছিল না। দীর্ঘদিন নৌকায় তীরে এসে প্রায় এক মাইল পথ হেঁটে বাজার ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বহন করতে হতো। একটি স্লিপওয়ে নির্মাণের অনুমতি পেতে গ্রিলসকে প্রায় ১০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। বর্তমানে পুরোনো আরএনএলআই ডি-ক্লাস লাইফবোটে যাতায়াত করেন তাঁরা। মালপত্র পরিবহনে ব্যবহার করেন কোয়াড বাইক ও ট্রেলার।
বিদ্যুৎ ও পানির জন্যও দ্বীপটি মূল ভূখণ্ডের ওপর নির্ভরশীল নয়। ছোট একটি বায়ুকল থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। আর বাড়ির ছাদে জমা বৃষ্টির পানি ব্যবহার করা হয় দৈনন্দিন কাজে।
২০০৮ সালে দ্য টেলিগ্রাফকে গ্রিলস বলেছিলেন, বছরের একটি সময় তিনি পরিবার নিয়ে এমন একটি দ্বীপে থাকেন, যেখানে মূল ভূখণ্ডের বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ নেই। ছোট বায়ুকল ও বৃষ্টির পানি সংগ্রহের ব্যবস্থাতেই তাঁদের জীবন চলে।
লন্ডনের ব্যস্ত নগরজীবনের পরিবর্তে প্রকৃতির কাছাকাছি এমন নির্জন দ্বীপে বসবাসের সিদ্ধান্ত তাই শুধু সম্পত্তি কেনা নয়, বরং ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জীবনধারা বেছে নেওয়ার গল্প।

