সাইবার সুরক্ষা, গুম প্রতিরোধ ও এসআরবি আইন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আইনমন্ত্রীকে অ্যামনেস্টির চিঠি

এসআরবি নিয়েও প্রশ্ন
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন ২০২৬ নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে অ্যামনেস্টি। চিঠিতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সম্পর্কে বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এসআরবি আইন ২০২৬-এর মাধ্যমে মূলত বিতর্কিত বাহিনী র্যাবের নাম পরিবর্তন করে তাদের সমস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী, সম্পদ ও ক্ষমতা নতুন ‘এসআরবি’ বাহিনীতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
এই আইনের ধারা ১২ ও ১৫ অনুযায়ী বিশেষ বাহিনীটিকে তল্লাশি, বাজেয়াপ্তকরণ ও গ্রেপ্তারের অসীম ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ধারা ২৪-এর অধীনে এসআরবির সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের জন্য গঠিত ‘অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটির’ স্বাধীনতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে অ্যামনেস্টি। কমিটিতে এসআরবির কর্মকর্তাসহ সরকারের মনোনীত বিভিন্ন সদস্য থাকায় তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয় বলে চিঠিতে বলা হয়েছে।
অ্যামনেস্টি বলেছে, এসআরবির বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলে সেগুলো স্বাধীন, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে তদন্ত করতে হবে। কোনো আচরণ অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হলে তা সাধারণ ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
চিঠির শেষাংশে অ্যামনেস্টি বলেছে, মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং অতীতের ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তি রোধ করতে বাংলাদেশের উচিত আইনগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক আইনের মানদণ্ড অনুযায়ী সংস্কার করা। একই সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভবিষ্যতেও গঠনমূলক ও অর্থবহ আলোচনার আগ্রহের কথা জানিয়েছে অ্যামনেস্টি।

