সরকার কর্তৃত্ববাদী শাসনের দিকে যাওয়ার সব আয়োজন পূর্ণ করেছে: জামায়াত আমির

বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দলীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন জামায়াত আমির। দুর্নীতি দমন কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানে নিরপেক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের পরিবর্তে বিতর্কিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমে দুর্নীতি দমন সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
শিক্ষার্থীরা মেধার ভিত্তিতে চাকরি ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করেছিল উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘এখন সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যানকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং আরও সদস্যকে চাপের মুখে বিদায় করার অভিযোগ উঠেছে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের দাবিকে সম্মান না করে তাঁদের সঙ্গে উপহাস করা হচ্ছে।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে জনগণের প্রয়োজনেই বারবার বিপ্লব ফিরে এসেছে। আমরা সংসদকে কার্যকর ও অর্থবহ করতে চেয়েছি। প্রথম দিন থেকেই সংসদ অকার্যকর করে দেওয়ার কোনো ঘোষণা দিইনি। ন্যায়সংগত বিষয়ে সহযোগিতা করব, অন্যায় হলে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করব-এটাই বিরোধী দলের নীতি। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে ন্যায়-অন্যায় বিবেচনা না করে একের পর এক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।’ তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই সরকার এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেগুলোর প্রতিবাদ না করলে বিরোধী দল হিসেবে জনগণের প্রতি অর্পিত দায়িত্বের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হবে।

