রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
হ্যালোইন লুকে দেশের শোবিজ তারকারাআলমডাঙ্গা বণিক সমিতির নির্বাচন: টানা তৃতীয়বার সভাপতি মিলন, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিনলংমার্চের নামে ১১ দলীয় ঐক্যজোট গাড়িমার্চ করছে: চুয়াডাঙ্গায় সংস্কৃতিমন্ত্রী৩৬ ভিলাসহ ৫ কোটির সম্পত্তি, তদন্তের মুখে সরকারি আমলা দম্পতিপ্রবীণ সাংবাদিক বিশ্বজিৎ সরকার মনি মৃত্যুবরণ করেছেনইরানের এক-দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় এখনও হামলা চালানো বাকি: ট্রাম্পগাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ থেকে পুলিশ বক্সে আগুন, টিয়ারশেল-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ পুলিশেরপোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা সরকারেরইন্টারকে হারিয়ে টানা চতুর্থ মিলান ডার্বি জিতল এসি মিলানএইচএসসির ফলে চুয়াডাঙ্গার ব্রাইট মডেলে শতভাগ সাফল্য, মেহেরপুরের মড়কা কলেজে শূন্য
বিজ্ঞাপন

ছেলেকে হাফেজ-মাওলানা বানিয়েছেন কষ্টে, এখন পাশে পাচ্ছেন না তাশরিফের বাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৭ এএম
ছেলেকে হাফেজ-মাওলানা বানিয়েছেন কষ্টে, এখন পাশে পাচ্ছেন না তাশরিফের বাবা

মানুষের কাছে হাত পেতে ছেলের চিকিৎসা করিয়েছেন, কষ্ট করে পড়াশোনা করিয়ে বানিয়েছেন হাফেজ ও মাওলানা। কিন্তু ছেলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নিজের অসুস্থতার সময় তার কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন হাফেজ তাশরীফের বাবা। তার দাবি, বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ছেলের সাড়া পান না তিনি।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ছেলেকে ঘিরে নিজের কষ্ট ও অভিমানের কথা তুলে ধরেন তিনি।

হাফেজ তাশরীফের বাবার ভাষ্য, ছোটবেলায় তার ছেলের প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তখন চিকিৎসার জন্য মানুষের কাছে সাহায্য চাইতে হয়েছে তাকে। ঢাকা, ময়মনসিংহ ও মির্জাপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে দীর্ঘদিন ছেলের চিকিৎসা করিয়েছেন। ইমামতি করে যে সামান্য আয় হতো, তা দিয়ে সংসার চালানোর পাশাপাশি ছেলের চিকিৎসার খরচ মেটানো সম্ভব ছিল না।

তিনি বলেন, অনেক কষ্ট করে তার চিকিৎসা করিয়েছি। আল্লাহ তাকে সুস্থ করেছেন। তাকে পড়ালেখা করিয়েছি, হাফেজ ও মাওলানা বানিয়েছি। অথচ এখন সে অস্বীকার করে।

নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে হাফেজ তাশরীফের বাবা বলেন, একসময় চিকিৎসার খরচ জোগাতে ছেলের কাছে টাকা চেয়েছিলেন তিনি। তবে জমি কেনার কথা বলে ছেলে তাকে টাকা দিতে পারেনি বলে দাবি করেন তিনি। পরে গণমাধ্যমের সহায়তায় মানুষের কাছে সাহায্য চাইলে কিছু টাকা পান। সেই টাকায় চিকিৎসা করালেও এখনো পুরোপুরি সুস্থ হননি; চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারার অভিযোগও করেন তিনি। তার দাবি, বারবার ফোন করেও ছেলের সাড়া পান না। ছেলের ব্যক্তিগত সহকারী ওবায়দুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করেও প্রতিশ্রুত অর্থ পাননি। একপর্যায়ে বারবার ফোন করার কারণে তারাও বিরক্ত হয়ে ফোন ধরা বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...