গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ: সংকটের অজুহাত, বাড়তি টাকা ছাড়া মেলে না সার

প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ডিলার তমাল চন্দ্র সাহা মোবাইল ফোনে বলেন, ‘আমার ডিলার পয়েন্টে এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি।’
দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান মণ্ডল বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নে ছিলাম কৃষি কার্ডের কাজে। ঠিক সেই মুহূর্তে স্যার আমাকে ফোন দিয়ে ঘটনাস্থলে যেতে বলেন। গিয়ে দেখি একটি ভ্যানে ১০টি সারের বস্তা। তখন ডিলারকে জিজ্ঞাসা করি। তখন উনি বলেন, ওখানে দুজন কৃষকের সার। এরপর আমি ওখান থেকে চলে আসি।’ মজুত ও বিতরণ রেজিস্টারে কোনো গরমিল আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গরমিলের বিষয়টি শুনেছি, তবে দেখিনি।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়গুলো আমি শুনেছি। সংশ্লিষ্ট ডিলারের কাছ থেকে মজুত ও বিক্রির স্টক রেজিস্টার বই চেয়েছি বিতরণে কোনো গরমিল আছে কি না তা তদন্ত করে দেখার জন্য। সত্যতা পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করার কোনো সুযোগ নেই। সারের মজুত ও বিক্রি রেজিস্টারে গরমিল বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়গুলো তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন ইউএনও।

