পাশাপাশি কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত বাবা ও মেয়ে

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) রতন বৈরাগী জানান, প্রতিবেশী সোহরাব বেপারীর সঙ্গে নিহত গোলাপ হোসেনের জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলাও চলমান রয়েছে। মৃত্যুর আগে গোলাপ হোসেন জানিয়েছিলেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে সোহরাবের পাঠানো মুখোশধারী লোকজন তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তবে সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন জানান, গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে মামলাটি রেকর্ড করা হয় এবং মামলার প্রধান আসামি সোহরাব বেপারীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে সিরাজদিখান উপজেলার পাথরঘাটা এলাকায় পৌঁছালে মুখোশধারী একদল দুর্বৃত্ত গোলাপ হোসেন ও তার পাঁচ বছরের মেয়ে তোয়াবার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করে ফেলে যায় এবং বাবা গোলাপ হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করে।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার রামকৃষ্ণদী গ্রামের মোল্লা ব্রিকস ইটভাটার পাশের একটি পরিত্যক্ত জমি থেকে তোয়াবার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর ঠিক সাড়ে তিন ঘণ্টা পর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবা গোলাপ হোসেনের (৩৬) মৃত্যু হয়।

