চট্টগ্রামে পক্ষ পরিবর্তন করায় কর্মী হত্যা: নগর যুবদল নেতা জুয়েলসহ গ্রেপ্তার ২

হামলার পর মুমূর্ষু অবস্থায় জীবনকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তিনি অভিযোগ করেন, ইকরাম বাবু ও আরমান তাঁকে ছুরিকাঘাত ও গুলি করেছেন। এ সময় তাঁর দেওয়া বক্তব্যের একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ঘটনার সময় জীবনসহ চার-পাঁচজন কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকার ২ নম্বর সড়কে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় ছাত্রদল নেতা হিসেবে পরিচিত ইকরাম বাবু, আরমান, মেহেদী ও নাবিদসহ ১৩ থেকে ১৪ জন সেখানে গিয়ে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলাকারীদের হাতে ছুরি ও পিস্তল ছিল এবং তাঁদের কয়েকজনের মাথায় হেলমেট ছিল বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের।
দলীয় একাধিক সূত্রের দাবি, দুই বছর ধরে জুয়েলের অনুসারী হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতেন জীবন। সম্প্রতি তিনি জুয়েলের পক্ষ ছেড়ে চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নুরুজ্জামান শিমুলের সঙ্গে যুক্ত হন। এ নিয়ে জুয়েলের সঙ্গে তাঁর বিরোধ তৈরি হয় বলে দাবি সূত্রগুলোর।
জীবনের মা মোছাম্মৎ শামসুন্নাহার অভিযোগ করেন, জুয়েলের সঙ্গে রাজনীতি করার জন্য তাঁর ছেলেকে বারবার চাপ দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু জীবন রাজনীতি কিংবা চাঁদাবাজিতে জড়াবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন।

