লোগো
Advertisement

মালয়েশিয়া প্রবাসী স্বামীর টাকায় পড়াশোনা, সরকারি চাকরির ৭ মাস পর তালাকের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ এএম
Advertisement

প্রবাসী স্বামীর আর্থিক সহায়তায় দীর্ঘদিন পড়াশোনা শেষ করে সরকারি চাকরি পাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই স্বামীকে তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার এক নারীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, শাহরাস্তি উপজেলার রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসের সঙ্গে একই এলাকার প্রবাসী সাইফুল ইসলামের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের প্রায় চার মাস পর জীবিকার তাগিদে মালয়েশিয়ায় চলে যান সাইফুল ইসলাম।

সাইফুল ইসলামের অভিযোগ, বিয়ের পর স্ত্রী উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করলে তিনি বিদেশে থেকেও তার পড়াশোনার পুরো দায়িত্ব নেন। প্রথমে কুমিল্লা শহরে বাসা ভাড়া করে এইচএসসি পড়ার ব্যবস্থা করেন। পরে সরকারি চাকরির প্রস্তুতির জন্য ঢাকার একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি করান এবং প্রায় চার বছর ধরে পড়াশোনা, কোচিং, বাসাভাড়া ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ নিয়মিত পাঠান।

তার দাবি, এই সময়ের মধ্যে স্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে সরকারি চাকরি পান। কিন্তু চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই জান্নাতুল ফেরদৌসের আচরণে পরিবর্তন আসে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাইফুল বলেন, দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানালে স্ত্রী তাকে আরও কয়েক বছর মালয়েশিয়ায় থাকার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি দেশে এলে স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র আনার দাবিও করা হয় বলে তার অভিযোগ।

ভুক্তভোগীর ভাষ্য, পরে তিনি জোর করেই দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফেরার পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং একপর্যায়ে জান্নাতুল ফেরদৌস তাকে তালাক দেন।

এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম নিজেকে প্রতারিত দাবি করে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

তবে এ বিষয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

চুয়াডাঙ্গা ডট নেট এই ঘটনার বিষয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্য জানার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...