মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান‘শ্রমিক-বিএনপি ভাই-ভাই, আওয়ামী লীগের রক্ষা নাই’ স্লোগানে মিরপুরে বিএনপির লাঠিমিছিলসীতাকুণ্ডে লরির ধাক্কায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত, মহাসড়ক-রেললাইন অবরোধমিরপুরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক, খুলেছে মেট্রো স্টেশনপাঁচ বছর পর শুক্রবার দেশে ফেরার কথা ছিল, আবুধাবিতে প্রাণ গেল ছুরিকাঘাতেবেগুন দিয়ে ইলিশের পাতলা ঝোলশ্রমিকদের বিক্ষোভে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, ড্রোনে নজরদারিসংযুক্ত আরব আমিরাতে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারিশপথ নিলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামানবিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলা: কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আখতারুজ্জামান
বিজ্ঞাপন

বিদেশে উচ্চশিক্ষা: বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত এবং শ্রীলঙ্কায় IIT-এর ভূমিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৫ পিএম
বিদেশে উচ্চশিক্ষা: বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত এবং শ্রীলঙ্কায় IIT-এর ভূমিকা

শ্রীলঙ্কা থেকে যুক্তরাজ্য বা অন্য দেশে যাওয়ার সম্ভাবনা

IIT Sri Lanka-তে আমার সফরের সময় কয়েকজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল, যিনি সেখানে পড়াশোনা করে পরবর্তী সময়ে যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে আমি বুঝতে পারি, সঠিক শিক্ষাপথ নির্বাচন করলে শ্রীলঙ্কায় পড়াশোনা একজন শিক্ষার্থীর আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ, কোনো শিক্ষার্থী তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী প্রথমে ফাউন্ডেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন করে পরবর্তী সময়ে স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনা শুরু করতে পারেন। আবার নির্দিষ্ট কোনো প্রোগ্রামে প্রথম পর্যায়ের পড়াশোনা শেষ করার পর সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রেডিট ট্রান্সফার নীতিমালা অনুযায়ী অন্য দেশে উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগও থাকতে পারে।

তবে এই সুযোগ সবার জন্য একই রকম নয়। শিক্ষার্থীর পূর্ববর্তী যোগ্যতা, নির্বাচিত কোর্স, একাডেমিক ফলাফল, ক্রেডিট স্বীকৃতি, সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি-শর্ত এবং ভিসার নিয়মের ওপর পরবর্তী গন্তব্যে যাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করবে। তাই ভর্তি হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সব শর্ত লিখিতভাবে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

আমার কাছে বিষয়টির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো, একজন শিক্ষার্থীকে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা গ্রহণের জন্য সব সময় সবচেয়ে ব্যয়বহুল গন্তব্য থেকেই যাত্রা শুরু করতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। তিনি শ্রীলঙ্কার মতো একটি দেশে উপযুক্ত শিক্ষাপ্রোগ্রামে ভর্তি হয়ে নিজের একাডেমিক ভিত্তি শক্ত করতে পারেন। পরবর্তী সময়ে সুযোগ ও যোগ্যতা অনুযায়ী যুক্তরাজ্য কিংবা অন্য কোনো দেশে উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যেতে পারেন।

একই সঙ্গে কেউ চাইলে শ্রীলঙ্কায় অবস্থান করেই সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক অংশীদার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রমে পড়াশোনা করে ডিগ্রি অর্জনের পথও বিবেচনা করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ডিগ্রি প্রদানকারী বিশ্ববিদ্যালয়, প্রোগ্রামের স্বীকৃতি, শিক্ষার পদ্ধতি এবং সংশ্লিষ্ট যোগ্যতার শর্ত সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।

খরচের দিক থেকেও হতে পারে একটি বাস্তবসম্মত বিকল্প

বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবারের জন্য ব্যয় একটি বড় বিবেচ্য বিষয়। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া কিংবা অন্যান্য পশ্চিমা দেশে পড়াশোনা করতে গেলে টিউশন ফি, আবাসন, যাতায়াত, স্বাস্থ্যবিমা এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় মিলিয়ে উল্লেখযোগ্য অর্থের প্রয়োজন হতে পারে।

অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কায় পড়াশোনার ব্যয় এবং জীবনযাত্রার খরচ তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক হতে পারে-যদিও তা প্রতিষ্ঠান, প্রোগ্রাম ও শিক্ষার্থীর জীবনযাত্রার ধরনের ওপর নির্ভরশীল। এ কারণে শ্রীলঙ্কায় পড়াশোনা করে আন্তর্জাতিক ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ কিংবা পরবর্তী সময়ে অন্য দেশে যাওয়ার শিক্ষাপথ কোনো কোনো পরিবারের জন্য আর্থিকভাবে বিবেচনাযোগ্য হতে পারে।

আমি যখন শিক্ষার্থীদের এই বিকল্পের কথা বলি, তখন আমার উদ্দেশ্য শুধু একটি দেশের নাম তুলে ধরা নয়; বরং তাদের সামনে বাস্তবসম্মত বিকল্প তৈরি করা। একজন শিক্ষার্থী যেন নিজের পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য, একাডেমিক যোগ্যতা এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, শুধু প্রাথমিক টিউশন ফি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। সম্পূর্ণ কোর্সের ব্যয়, আবাসন, অন্যান্য ফি, ডিগ্রির স্বীকৃতি এবং পরবর্তী পর্যায়ে অন্য দেশে যাওয়ার সম্ভাব্য খরচ বিবেচনা করতে হবে। কোনো প্রোগ্রামের ক্রেডিট ট্রান্সফার বা ভিসার সুযোগ সম্পর্কে মৌখিক আশ্বাসের ওপর নির্ভর না করে লিখিত তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।

শ্রীলঙ্কা থেকে শিক্ষার্থীদের আরও অনেক কিছু শেখার আছে

শ্রীলঙ্কাকে আমি শুধু উচ্চশিক্ষার একটি গন্তব্য হিসেবে দেখি না; বরং আমাদের তরুণদের জন্য একটি নতুন পরিবেশে শেখার সুযোগ হিসেবেও দেখি। আমার সফরে দেশটির পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলা, মানুষের আচরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ সম্পর্কে যে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়েছে, তা আমাকে আশাবাদী করেছে।

বিদেশে পড়াশোনা করার অর্থ শুধু একটি ডিগ্রি অর্জন করা নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নতুন সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা, ভিন্ন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া, স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে শেখা, বিভিন্ন দেশের মানুষের সঙ্গে কাজ করা এবং নিজের দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও বিস্তৃত করা। এসব অভিজ্ঞতা একজন শিক্ষার্থীকে শুধু ভালো পেশাজীবী নয়, একজন দায়িত্বশীল ও আত্মবিশ্বাসী নাগরিক হিসেবেও গড়ে তুলতে পারে।

আমাদের শিক্ষার্থীরা শ্রীলঙ্কার মতো একটি দেশে পড়াশোনা করতে গেলে আন্তর্জাতিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ পেতে পারে। তারা চাইলে পরবর্তী সময়ে অন্য দেশে উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যেতে পারে, আবার উপযুক্ত সুযোগ থাকলে সেখানেই নিজেদের পেশাগত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথ বিবেচনা করতে পারে। তবে এসব সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের আইন, ভিসার শর্ত এবং কর্মসংস্থানের নিয়ম সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা আবশ্যক।

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য আমার পরামর্শ

আমি দীর্ঘ প্রায় ২৪ বছর ধরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতায় সবসময় একটি কথাই বলেছি-তোমরা আধুনিক শিক্ষা গ্রহণ করো, নিজেদের দক্ষতা বাড়াও এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলো। তোমাদের সামনে যত বেশি বৈধ ও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ থাকবে, ভবিষ্যতে তত বেশি পথ খোলা থাকবে।

আমাদের উচিত নয়, বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের বিষয়টিকে অযথা নেতিবাচকভাবে দেখা। বরং আমাদের উচিত শিক্ষার্থীদের সঠিক তথ্য দেওয়া, মানসম্মত প্রতিষ্ঠান চিনতে সাহায্য করা এবং তাদের সামনে বাস্তবসম্মত বিকল্প তুলে ধরা। একই সঙ্গে তাদের সতর্ক করতে হবে, যেন তারা অস্বীকৃত প্রতিষ্ঠান, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা কিংবা নিশ্চিত ভিসা ও চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতির ফাঁদে না পড়ে।

বিশেষ করে যারা যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া বা অন্য কোনো দেশে পড়াশোনা করতে আগ্রহী, কিন্তু সরাসরি যাওয়ার ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হচ্ছে, তারা শ্রীলঙ্কার IIT-এর মতো প্রতিষ্ঠানের ফাউন্ডেশন ও আন্তর্জাতিক পাথওয়ে প্রোগ্রাম সম্পর্কে খোঁজ নিতে পারে। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী কোন প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া যাবে, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরবর্তী পর্যায়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে এবং মোট খরচ কত হবে-এসব তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

আমার বিশ্বাস, আমাদের শিক্ষার্থীদের সামনে সঠিক বিকল্প তুলে ধরতে পারলে তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আরও সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। আর তাদের সাফল্য শুধু তাদের নিজেদের বা পরিবারের সাফল্য হবে না; এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি, দক্ষ মানবসম্পদ এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগও উপকৃত হতে পারে।

শেষ কথা: শ্রীলঙ্কা হতে পারে আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার একটি ট্রানজিট পয়েন্ট

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন। আমরা চাই তারা ভালোভাবে পড়াশোনা করুক, আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে উঠুক, নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলুক এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণে অবদান রাখুক। সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের প্রচলিত শিক্ষাপথের পাশাপাশি বিকল্প আন্তর্জাতিক শিক্ষাপথগুলোও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও IIT Sri Lanka-এর সঙ্গে পরিচয়ের ভিত্তিতে আমি মনে করি, শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় শিক্ষাগন্তব্য হতে পারে। বিশেষ করে IIT-এর মতো প্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে পরিচালিত ফাউন্ডেশন, কম্পিউটিং ও ব্যবসায় শিক্ষার প্রোগ্রামগুলো সম্পর্কে আমাদের শিক্ষার্থীদের আরও বেশি জানা প্রয়োজন।

শ্রীলঙ্কায় পড়াশোনা করে কেউ সেখানে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার সুযোগ নিতে পারে, আবার নির্ধারিত একাডেমিক ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে পারলে পরবর্তী সময়ে যুক্তরাজ্য কিংবা অন্য কোনো দেশে উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগও বিবেচনা করতে পারে। সে অর্থে, শ্রীলঙ্কা আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত বিশ্বের উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের একটি সম্ভাবনাময় ট্রানজিট পয়েন্ট বা মধ্যবর্তী শিক্ষাগন্তব্য হতে পারে।

আমি এই লেখার মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সামনে সেই সম্ভাবনাটি তুলে ধরতে চেয়েছি। ভবিষ্যতে আমি অন্যান্য দেশ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুযোগ সম্পর্কেও আলোচনা করতে চাই, যাতে আমাদের তরুণেরা আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন পথ সম্পর্কে জানতে পারে এবং নিজেদের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

আমাদের মনে রাখতে হবে, একটি দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার তরুণ প্রজন্ম। তাদের সামনে জ্ঞানের দরজা যত বেশি উন্মুক্ত হবে, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ তত বেশি সম্ভাবনাময় হবে। তাই আসুন, আমরা আমাদের তরুণদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা গ্রহণে উৎসাহিত করি, তাদের সামনে সঠিক তথ্য ও বাস্তবসম্মত বিকল্প তুলে ধরি এবং তাদের জন্য একটি আধুনিক, সমৃদ্ধশালী ও বিশ্বমানের বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথ সুগম করি।

লেখক পরিচিতি: ড. এইচ. এম. জহিরুল হক

ভিপি (একাডেমিক)

ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাস

[প্রবন্ধ, নিবন্ধ, সাক্ষাৎকার ও প্রতিক্রিয়ায় প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণের প্রতিফলন। এগুলো এশিয়া পোস্টের সম্পাদকীয় নীতি বা অবস্থানের সঙ্গে সর্বদা মিল নাও থাকতে পারে। প্রকাশিত লেখায় উপস্থাপিত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা আইনগতসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহের যথার্থতা ও মতামতের দায়িত্ব লেখকের নিজস্ব; এ বিষয়ে এশিয়া পোস্ট কর্তৃপক্ষের অবস্থান নিরপেক্ষ।]

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...