মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
মাকে হত্যার দু’মাস পর তাঁর কবরের পাশেই শায়িত ঘাতক ছেলেমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া বন্ধ হলেও কাটেনি আতঙ্কস্বাধীন বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে: ড. কামালচাঁদপুরে শব্দদূষণবিরোধী অভিযানে ৬ পরিবহন মালিকের জরিমানাগণভোটের রায় উপেক্ষার অভিযোগ করে সংবিধান সংশোধন কমিটির সভা বর্জন কয়েকটি ছাত্রসংগঠনেরএমপি আমির হামজার সম্পদের হিসাব নিয়ে অসংগতির অভিযোগ, ইসিতে তদন্তের আবেদননাসীরুদ্দীনকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানজমিতে ময়লা ফেলায় ছোট ভাইকে হত্যা, এক মাস পর গ্রেপ্তার বড় ভাইএমপির বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার হুঁশিয়ারি বিএনপি নেতারতরুণদের টুর্নামেন্টে ‘বুড়ো’ সাব্বির, দলে আছেন আরও যাঁরা
বিজ্ঞাপন

জয়পুরহাটে আলুর বাজারে ধস, হিমাগারে পড়ে আছে ৪৫ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৮ পিএম
জয়পুরহাটে আলুর বাজারে ধস, হিমাগারে পড়ে আছে ৪৫ শতাংশ

জয়পুরহাটে আলুর বাজারে অব্যাহত দরপতনে বিপাকে পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে আলু। এতে লোকসানের আশঙ্কায় হিমাগার থেকে আলু উত্তোলন করছেন না অনেকে। জেলার ২২টি হিমাগারে সংরক্ষিত আলুর প্রায় ৪৫ শতাংশ এখনো পড়ে রয়েছে। আগামী ১৫ নভেম্বর সংরক্ষণ মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আলু বিক্রি করতে না পারলে কৃষক, ব্যবসায়ী ও হিমাগার মালিকদের বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে আলুর দাম বাড়ানো, রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি এবং হিমাগারে সংরক্ষণের মেয়াদ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। লোকসানের আশঙ্কায় হিমাগার মালিকেরা জেলা কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সহায়তা চেয়েছেন। অন্যদিকে সংরক্ষণের মেয়াদ বাড়াতে হিমাগারগুলোতে চিঠি দেওয়ার কথা জানিয়েছে জেলা কৃষি বিপণন অফিস।

জানা গেছে, আলু উৎপাদনে দেশের অন্যতম জেলা জয়পুরহাট। গত মৌসুমে জেলায় ৯ লাখ ৪৩ হাজার মেট্রিকটন আলু উৎপাদিত হয়েছে। উৎপাদন মৌসুমে বাজারে আলুর দাম কম থাকায় কৃষকেরা লোকসানে পড়েন। পরে দাম বাড়ার আশায় জেলার ২২টি হিমাগারে ২ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণ করেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। কিন্তু বাজারে প্রত্যাশিত দাম না থাকায় এখন উৎপাদন খরচ ও হিমাগারের ভাড়া তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

কৃষক ও ব্যবসায়ীদের তথ্যমতে, সার, বীজ, শ্রমিকের মজুরিসহ বিভিন্ন খরচ মিলিয়ে স্টেরিক, কার্ডিনাল ও বারো-তেরো জাতের ৬০ কেজির এক বস্তা আলু উৎপাদনে খরচ হয়েছে সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৫০ টাকা। অথচ হিমাগার গেটে সেই আলু বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫৫০ থেকে ৬৭০ টাকায়। দেশি পাকড়ি জাতের এক বস্তা আলু উৎপাদনে খরচ হয়েছে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬০০ টাকা। বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০ টাকায়। এতে জাত ভেদে প্রতি বস্তা আলুতে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত লোকসান হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, মৌসুমে কৃষকের কাছ থেকে আলু কিনে ব্যবসায়ীরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য চুক্তিতে হিমাগারে সংরক্ষণ করেন। চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে ব্যবসায়ীরা আলু উত্তোলন না করলেও হিমাগার মালিকেরা চুক্তির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করতে পারেন না। অথচ বিদ্যুৎ বিলসহ হিমাগারের পরিচালন ব্যয় তাঁদেরই বহন করতে হয়। ফলে আলু পড়ে থাকলে লোকসানের চাপ বাড়ে হিমাগার মালিকদের ওপরও।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...