রিপোর্ট দিতে দেরি, খুলনায় দুই চিকিৎসাকেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর

রোগীর পরীক্ষার রিপোর্ট দিতে বিলম্বকে কেন্দ্র করে খুলনা মহানগরীর দুটি চিকিৎসাকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় এক নারী কর্মীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার পাশাপাশি পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর শামসুর রহমান রোডে অবস্থিত রংধনু ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং আব্দুল্লাহ প্যাথলজিতে এ ঘটনা ঘটে।
প্রতিষ্ঠানের এক নারী কর্মীর ভাষ্য, সন্ধ্যায় প্রথমে পাঁচ থেকে সাতজন ব্যক্তি ভেতরে প্রবেশ করেন। বাইরে আরও ১০ থেকে ১২ জন অবস্থান করছিলেন। পরে তাদের সঙ্গে আরও লোকজন যোগ দেন। একপর্যায়ে হামলাকারীর সংখ্যা ৪০ থেকে ৫০ জনে পৌঁছায়। তারা দরজায় লাথি মেরে ভেতরে ঢুকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুর করেন।
ওই নারী কর্মী অভিযোগ করেন, এ সময় তার স্বামীকে মারধর করা হলে তিনি বাধা দিতে যান। তখন তাকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। এতে তার ঠোঁটে আঘাত লাগে। হামলাকারীরা তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন এবং সেখানে আর প্যাথলজির ব্যবসা চালাতে দেওয়া হবে না বলে চলে যান।
ওই নারী কর্মী বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের আয় থেকেই আমাদের সংসার চলে। হামলার পর থেকে আমরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। হামলাকারীরা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।
প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, হামলাকারীরা পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে প্রতিষ্ঠান চালাতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিষ্ঠান দুটির সামনে ও ভেতরে ইটের টুকরো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও উপস্থিতি ছিল।

