মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিতদলীয় এমপির বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ বিএনপি নেতারনভেম্বরের আবহাওয়ার সংক্ষিপ্ত পূর্বাভাস১৩ বছর ধরে প্রবাসে আয়ের সর্বস্ব হারিয়ে ঢাকায় রিকশা চালান মোস্তফা, ন্যায়বিচার দাবিসচিবালয়ে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিচয়পত্র দৃশ্যমান রাখার নির্দেশসাভারে শ্রমিক বিক্ষোভে পুলিশের চার মামলা, আটক ১৪পিরোজপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগনেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে একমত ইসরায়েলের বিরোধী দলগুলোবাংলাদেশে পোশাকশ্রমিক আন্দোলন ও প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে যা বললেন জয়সওয়ালনারায়ণগঞ্জে প্রায় ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ রাজশাহীর ২ যুবক গ্রেপ্তার
বিজ্ঞাপন

জনবল নেই, পৃথক দপ্তরও চালু হয়নি খুলনার বাণিজ্যিক আদালতে

নিজস্ব প্রতিবেদক০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
জনবল নেই, পৃথক দপ্তরও চালু হয়নি খুলনার বাণিজ্যিক আদালতে

ব্যবসা-বাণিজ্যসংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে খুলনায় বাণিজ্যিক আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়েছে প্রায় সাত মাস আগে। তবে এখনও নিয়োগ দেওয়া হয়নি প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী। চালু হয়নি পৃথক দাপ্তরিক ব্যবস্থাও। অন্য আদালতের বিচারকদের অতিরিক্ত দায়িত্বে চলছে বিচারকাজ।

বিভিন্ন আদালত থেকে পুরোনো মামলা শনাক্ত করে স্থানান্তর করা হলেও নতুন মামলা হয়েছে মাত্র তিন থেকে চারটি। এর মধ্যে আদালতপাড়ায় রয়েছে এজলাসসংকটও। এমন পরিস্থিতিতে বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খুলনা জেলা ও মহানগর এলাকার বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য দুটি আদালতে কার্যক্রম চলছে। জেলা পর্যায়ে অতিরিক্ত জেলা জজ দ্বিতীয় আদালত এবং মহানগর পর্যায়ে অতিরিক্ত জেলা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারকেরা বাণিজ্যিক আদালতের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে এসব আদালতের জন্য নতুন কোনো বিচারক বা কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়নি। চালু হয়নি পৃথক দপ্তরও।

আদালত প্রশাসনের কর্মকর্তা কমরুজ্জামান জানান, বাণিজ্যিক বিরোধসংক্রান্ত ২৪ ধরনের মামলার তালিকা আইনের গেজেটসহ বিভিন্ন আদালতে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে পুরোনো মামলাগুলো শনাক্ত করে বাণিজ্যিক আদালতে স্থানান্তর করা হচ্ছে। এভাবে দুই আদালত মিলিয়ে প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি মামলা পাওয়া গেছে। তবে এসব মামলা গত সাত মাসে দায়ের করা নয়। এ সময়ে নতুন করে মাত্র তিন থেকে চারটি মামলা হয়েছে।

ফলে বাণিজ্যিক আদালত চালুর পরও নতুন মামলার সংখ্যা তুলনামূলক কম। অন্যদিকে, প্রয়োজনীয় জনবল ও পৃথক দাপ্তরিক কাঠামো না থাকায় আদালতগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করতে পারছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের জেলা নাজির মো. জাকারিয়া শেখ বলেন, আদালতপাড়ায় এজলাসসংকট রয়েছে। এ সমস্যা নিরসনে কয়েকটি এজলাস নির্মাণ করা হয়েছে। আরও ছয়টি এজলাস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে এ কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...