ঢাকা দক্ষিণের ৭৫ ওয়ার্ডের ২৯টি ডেঙ্গুর ‘উচ্চ ঝুঁকিতে’: জরিপ

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘আমরা প্রথমেই নির্দেশনা দিয়েছিলাম, জরিপের প্রকৃত ফলাফল যেন কোনো ধরনের দ্বিধা বা সংশয় ছাড়াই প্রকাশ করা হয়। কারণ, এখানে মানুষের জীবনের প্রশ্ন জড়িত। কোন ওয়ার্ড অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, কোনটি তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ, সেই তথ্য জনগণকে জানানো জরুরি।’
প্রশাসক বলেন, আগের জরিপে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত কয়েকটি ওয়ার্ড এবার সেই তালিকায় নেই। ওই এলাকাগুলোতে কার্যক্রম জোরদার করার ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
ডিএসসিসি এলাকায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, ঢাকা শহরে সারা দেশ থেকে মানুষ আসেন। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি হন। এ কারণে হাসপাতালে ভর্তি রোগী কিংবা মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশের সময় অনেক ক্ষেত্রে ঢাকাকেন্দ্রিক পরিসংখ্যান দেখা যায়।
আবদুস সালাম বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় চাওয়া, ডেঙ্গুতে একজন মানুষও যেন মারা না যান। এ লক্ষ্য থেকেই আমরা জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করেছি।’
ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, জনগণ সচেতন হলে ডেঙ্গুর প্রভাব থেকে প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষকে রক্ষা করা সম্ভব। এ জন্য বাসাবাড়ির ছাদ, ফুলের টব, ফ্রিজের নিচে ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করতে হবে।

