শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরপারিবারিক কলহে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যাশিক্ষানবিশ চালকদের জন্য নতুন নির্দেশনা বিআরটিএরবিএনপির রাজনীতিতে চর পড়েছে, তাই জামায়াতের নদীতে এসেছি: মেজর আক্তারুজ্জামানতিন মাসে আসতে পারে ৬ শৈত্যপ্রবাহ, তীব্র হতে পারে ২টিগ্যাসের দাম বেড়ে ৩২ ডলার, ভর্তুকি দিতে হয়েছে ৪৭ হাজার কোটি টাকা: জ্বালানিমন্ত্রীশার্শা সীমান্তে ধানখেত থেকে ওয়ান শুটারগান উদ্ধারদীপিকার পোশাক নিয়ে আপত্তি, শাহরুখকে বয়কটের হুঁশিয়ারি বিজেপি নেতারসরকার কর্তৃত্ববাদী শাসনের দিকে যাওয়ার সব আয়োজন পূর্ণ করেছে: জামায়াত আমিরহেলিকপ্টারে ফরিদপুরে পৌঁছাল নিহত সেনাসদস্যের মরদেহ
বিজ্ঞাপন

‘চোরের গ্রাম’ বলায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ, হাসপাতালে ৫০

নিজস্ব প্রতিবেদক০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম
‘চোরের গ্রাম’ বলায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ, হাসপাতালে ৫০

হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে উপজেলার রাজিউড়া ইউনিয়নের জয়রামপুর ও নিজামপুর ইউনিয়নের নিতাইরচক গ্রামের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি নিতাইরচক গ্রামের নানু মিয়ার একটি মোবাইল ফোন চুরি হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে নানু মিয়ার ভাই আশিক পার্শ্ববর্তী জয়রামপুর গ্রামের এক ব্যক্তিকে চুরির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি বাজারে ওই ব্যক্তিকে গালিগালাজ করেন এবং জয়রামপুর গ্রামকে ‘চোরের গ্রাম’ বলে অপবাদ দেন। এ নিয়ে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উভয় গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা এ সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, এ ঘটনায় পুলিশ কয়েক রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...