লোগো
Advertisement

আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবার মেসি, বিদায়ী ম্যাচে প্রতিপক্ষ বেনিন

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১ এএম
Advertisement

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচটি আর অনিশ্চিত নয়। ফুটবলবিশ্বের অন্যতম সেরা এই তারকার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ পর্বে এবার আনুষ্ঠানিক বিদায়ের আয়োজন করতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। দেশের মাটিতে সমর্থকদের সামনে শেষবারের মতো আকাশি-সাদা জার্সিতে মাঠে নামবেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

আগামী ৬ অক্টোবর বুয়েনস এইরেসের ঐতিহাসিক মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচের জন্য ঘোষিত দলে জায়গা পেয়েছেন মেসি। সবকিছু ঠিক থাকলে জাতীয় দলের হয়ে এটাই হবে তাঁর শেষ উপস্থিতি।

মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায়ের ঘোষণা আসার পর থেকেই তাঁকে ঘরের মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় দেওয়ার পরিকল্পনা করছিল এএফএ। সেই পরিকল্পনাই এবার বাস্তব রূপ পাচ্ছে। প্রায় ৮৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে মেসিকে শেষবার আর্জেন্টিনার জার্সিতে দেখার সুযোগ পাবেন দেশটির সমর্থকেরা।

এএফএ সভাপতি ক্লদিও তাপিয়ার বক্তব্যেও স্পষ্ট হয়েছে, বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটিকে মেসির বিদায়ী ম্যাচ হিসেবেই আয়োজন করা হচ্ছে। এক ভিডিও বার্তায় তাপিয়া বলেন, বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়, আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের প্রতীক এবং অধিনায়ক লিওনেল আন্দ্রেস মেসিকে দেশের মাটিতে তাঁর প্রাপ্য বিদায় দেওয়ার জন্যই তাঁকে ম্যাচটিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

মেসির বিদায়কে শুধু একটি সাধারণ প্রীতি ম্যাচের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না এএফএ। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে যে দলটির নেতৃত্ব দিয়ে মেসি আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিলেন, সেই দলের সতীর্থদেরও বিশেষ অনুষ্ঠানে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কাতার বিশ্বকাপজয়ী দলের সব সদস্যকে পরিবারসহ মনুমেন্তালের ম্যাচে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে।

অর্থাৎ মেসির জাতীয় দল ছাড়ার মুহূর্তটি হতে যাচ্ছে তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায়ের সতীর্থদের সঙ্গে। যে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে দীর্ঘ ৩৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছিলেন তিনি, সেই দলের সদস্যদের উপস্থিতিতেই দেশের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলবেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি।

তাপিয়া তাঁর ভিডিও বার্তায় সমর্থকদেরও এই বিশেষ মুহূর্তের অংশ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, মেসি আমন্ত্রণ গ্রহণ করার পর কাতারে তাঁর সঙ্গে বিশ্বকাপ খেলা দলের প্রত্যেক সদস্যকে পরিবারসহ ম্যাচে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মেসির জাতীয় দলের শেষ ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতেই এমন আয়োজন।

এএফএ সভাপতি এই বিদায়ী ম্যাচকে মেসির ‘শেষ ট্যাঙ্গো’ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন। ফলে ৬ অক্টোবরের ম্যাচটি শুধু আর্জেন্টিনা ও বেনিনের একটি প্রীতি ম্যাচ হিসেবে থাকছে না; আর্জেন্টাইন ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকাকে ঘরের মাঠে বিদায় জানানোর উপলক্ষ হিসেবেও এটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

সর্বশেষ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে হারের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল ছাড়ার ঘোষণা দেন মেসি | এএফপি

বিশ্বকাপের পর তিন ম্যাচ, শেষটি মেসির বিদায়

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের পর প্রথম আন্তর্জাতিক বিরতিতে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে লিওনেল স্কালোনির দল।

সূচি অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বর কর্দোবার মারিও আলবার্তো কেম্পেস স্টেডিয়ামে বলিভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ-পরবর্তী পথচলা। এরপর ৩ অক্টোবর বুয়েনস এইরেসে বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে মাঠে নামবে দলটি।

তিন ম্যাচের শেষটি হবে ৬ অক্টোবর। মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে সেই ম্যাচেই শেষবারের মতো জাতীয় দলের জার্সিতে মেসিকে দেখা যাওয়ার কথা। ফলে বিশ্বকাপের পর আর্জেন্টিনার প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচপর্বটি শেষ হবে মেসির বিদায়ের মধ্য দিয়ে।

জাতীয় দলের হয়ে এর আগে ২০৭টি ম্যাচ খেলেছেন মেসি। বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নামলে সংখ্যাটি দাঁড়াবে ২০৮-এ। আর্জেন্টিনার জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডও তাঁরই দখলে।

শুধু ম্যাচ নয়, গোলের হিসাবেও আর্জেন্টিনার হয়ে সবার ওপরে মেসি। এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে তাঁর গোল ১২৫টি। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ম্যাচ ও গোল—দুই ক্ষেত্রেই মেসির ওপরে রয়েছেন কেবল পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ফলে ৬ অক্টোবরের ম্যাচটি মেসির ক্যারিয়ারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফুটবলের পরিসংখ্যানেও আলাদা গুরুত্ব বহন করবে।

৩৯ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি

দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ মেসি। ২০০৫ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেকের পর থেকে আর্জেন্টিনার হয়ে একের পর এক রেকর্ড গড়েছেন তিনি। তবে ক্যারিয়ারের শুরুটা ছিল সাফল্যের পাশাপাশি হতাশায় ভরা।

বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা—বড় মঞ্চে একাধিকবার ফাইনালে উঠেও শিরোপা না জেতার হতাশা সইতে হয়েছে তাঁকে। একসময় জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন। পরে ফিরে এসে সেই আক্ষেপের অনেকটাই মুছে দেন মেসি।

২০২১ সালে কোপা আমেরিকা জয়ের মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথম বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা জেতেন তিনি। এরপর ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করে পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্নগুলোর একটি।

এরপরও জাতীয় দলের হয়ে খেলে গেছেন মেসি। ২০২৬ বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা ধরে রাখতে পারেনি আর্জেন্টিনা।

বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই হারকেই অনেকে মেসির জাতীয় দলের জার্সিতে শেষ স্মৃতি হিসেবে ধরে নিয়েছিলেন। কিন্তু এএফএর পরিকল্পনায় সেই ধারণা বদলে গেল। দেশের সমর্থকদের সামনে বিদায়ী ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দিতে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচে তাঁকে রাখা হয়েছে।

৩১ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান ৩৯ বছর বয়সী মেসি। এরপর থেকেই তাঁর শেষ ম্যাচ কোথায় এবং কখন হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছিল। এবার এএফএর আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় সেই অপেক্ষারও অবসান হলো।

বিশ্বকাপজয়ী সতীর্থদের সঙ্গে শেষবার

মেসির বিদায়ী ম্যাচে ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী সতীর্থদের উপস্থিতি আয়োজনটিকে আরও বিশেষ করে তুলছে। কাতারে ফ্রান্সকে হারিয়ে যে দলটি বিশ্বকাপ জিতেছিল, সেই দলের সদস্যরা এবার মেসির জাতীয় দল ছাড়ার মুহূর্তের সাক্ষী হওয়ার সুযোগ পাবেন।

বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই নাটকীয় ম্যাচে মেসি জোড়া গোল করেছিলেন। টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জেতার পর তাঁর হাতে উঠেছিল কাঙ্ক্ষিত ট্রফি। সেই দলের সতীর্থদের উপস্থিতিতে জাতীয় দলের শেষ ম্যাচ খেলাটা মেসির জন্যও আলাদা তাৎপর্য বহন করবে।

এএফএর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যদের পরিবারসহ ম্যাচে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে ওই রাতে মনুমেন্তালের গ্যালারিতে শুধু আর্জেন্টাইন সমর্থকদের উপস্থিতিই নয়, থাকবে বিশ্বকাপজয়ী একটি প্রজন্মের পুনর্মিলনের আবহও।

নিষেধাজ্ঞার কারণে কয়েকজন থাকছেন না

মেসির বিদায়ী ম্যাচকে ঘিরে উৎসবের প্রস্তুতি থাকলেও আর্জেন্টিনা পুরো শক্তির দল নিয়ে সব ম্যাচ খেলতে পারবে না। বিশ্বকাপ ফাইনালের পর আর্জেন্টিনা ও স্পেনের খেলোয়াড়দের মধ্যে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার শাস্তির প্রভাব পড়বে আসন্ন আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোতেও।

শৃঙ্খলাজনিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড়কে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হয়েছে। মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে ১০ ম্যাচ, ডিফেন্ডার নাহুয়েল মলিনাকে সাত ম্যাচ এবং ফরোয়ার্ড থিয়াগো আলমাদাকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ফলে বিশ্বকাপের পর নতুন করে দল সাজাতে গিয়ে স্কালোনিকে এসব নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। প্রীতি ম্যাচ হলেও প্রতিটি ম্যাচেই দলটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে বাইরে থাকতে হবে।

দর্শক নিয়েও বিধিনিষেধ

এর মধ্যে ঘরের মাঠে বলিভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে দর্শকসংখ্যা নিয়েও বিধিনিষেধ রয়েছে আর্জেন্টিনার। ফিফার শৃঙ্খলাজনিত সিদ্ধান্তের কারণে দেশটির পরবর্তী ঘরের ম্যাচে স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতার ৫০ শতাংশ ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফলে ৩০ সেপ্টেম্বর কর্দোবার মারিও কেম্পেস স্টেডিয়ামে বলিভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে পূর্ণ গ্যালারি থাকবে না। ক্রীড়া আয়োজনকে রাজনৈতিক বা ক্রীড়াবহির্ভূত বার্তা প্রদর্শনের কাজে ব্যবহারের অভিযোগে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারানোর পর আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত একটি ব্যানার প্রদর্শন করেছিলেন। সেখানে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে আর্জেন্টিনার দাবি-সংবলিত বার্তা ছিল। সেই ঘটনাকেই শাস্তির অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

তবে মেসির বিদায়ী ম্যাচে দর্শকসংখ্যা নিয়ে একই ধরনের বিধিনিষেধ থাকবে কি না, সেটি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট শাস্তির পরিধি ও ম্যাচের ওপর। ৬ অক্টোবর মনুমেন্তালে মেসিকে শেষবার দেখতে কতসংখ্যক সমর্থক উপস্থিত হতে পারবেন, সেটিই এখন আগ্রহের বিষয়।

শেষবারের অপেক্ষায় মনুমেন্তাল

মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ হচ্ছে এমন এক সময়ে, যখন আর্জেন্টিনা ফুটবলের একটি সফল প্রজন্ম ধীরে ধীরে বিদায়ের পথে। ২০২১ সালের কোপা আমেরিকা, ২০২২ সালের বিশ্বকাপসহ একাধিক বড় সাফল্যের সঙ্গে যে প্রজন্মের নাম জড়িয়ে আছে, মেসি তাঁদের অন্যতম প্রধান মুখ।

৬ অক্টোবর সেই অধ্যায়েরই আনুষ্ঠানিক পর্দা নামার কথা। বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচে মেসি কত মিনিট খেলবেন, অধিনায়ক হিসেবে মাঠে থাকবেন কি না, কিংবা ম্যাচে গোল করতে পারবেন কি না—এসব নিয়ে সমর্থকদের আগ্রহ থাকবেই। তবে ম্যাচটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ যে মেসির বিদায়, সেটি ইতোমধ্যেই নিশ্চিত।

আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সিতে ২০ বছরের বেশি সময় ধরে খেলা মেসির শেষ ম্যাচটি তাই পরিসংখ্যানের চেয়েও বড় একটি বিদায়ী মুহূর্ত হয়ে উঠতে যাচ্ছে। মনুমেন্তালের বিশাল গ্যালারিতে হাজারো সমর্থকের সামনে, পাশে বিশ্বকাপজয়ী সতীর্থরা—এভাবেই জাতীয় দলের হয়ে শেষবার মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

বেনিনের বিপক্ষে বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে শেষ হবে একটি দীর্ঘ আন্তর্জাতিক অধ্যায়। এরপর আর মেসিকে আর্জেন্টিনার জার্সিতে দেখার সুযোগ থাকবে না—যদি না ভবিষ্যতে কোনো সিদ্ধান্ত বদল আসে। আপাতত ৬ অক্টোবরই হয়ে থাকছে লিওনেল মেসির ‘লাস্ট ড্যান্স’।

আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...