বৈদ্যুতিক বিলবোর্ড হ্যাক করে দেখানো হলো পর্নো

মিশরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হ্যাক হওয়া বিলবোর্ডটি একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার। আন্তর্জাতিক একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওই সংস্থার চুক্তি ছিল। মন্ত্রণালয়ের দাবি, ‘আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট সাইবার হামলার শিকার হয়েছিল। এর ফলে অননুমোদিত ফুটেজ সম্প্রচারিত হয়।’ একই সময়ে আরও কয়েকটি দেশেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
তবে প্রতিষ্ঠানটির নাম কিংবা অন্য কোন কোন দেশ এ হামলার শিকার হয়েছে, তা প্রকাশ করেনি মন্ত্রণালয়। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইরাক, মালয়েশিয়া ও ব্রাজিলের ডিজিটাল বিলবোর্ডেও যৌন উত্তেজক ভিডিও দেখা গেছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে মিশরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এর আগে ডিজিটাল বিলবোর্ডে পর্নোগ্রাফিক ভিডিও প্রচারের ঘটনায় জড়িত কয়েকজন কিশোরকে শনাক্ত করেছিল মিশরীয় পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবারের ঘটনা নিয়েও নাগরিকদের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র। অনেকে এতে হতবাক হয়েছেন, আবার কেউ কেউ ঘটনাটিকে হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন।
মিশরের সমাজের বড় একটি অংশ রক্ষণশীল। সেখানে ইসলামী শরিয়াহর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কঠোর নৈতিক বিধিবিধান অনুসরণের প্রবণতা রয়েছে। দেশটির আদালত বিভিন্ন সময়ে পর্নোগ্রাফিক ওয়েবসাইট বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে ব্যক্তিগতভাবে এসব ওয়েবসাইটে প্রবেশের সুযোগ ব্যাপকভাবে প্রচলিত রয়েছে।
পর্নহাব ইনসাইটসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে পর্নোগ্রাফিক ওয়েবসাইট পরিদর্শনের ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষ ২০টি দেশের তালিকায় ছিল মিশর। ওই তালিকায় প্রথম স্থানে ছিল যুক্তরাষ্ট্র।

