মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
তাহসিফের শেষ রাত ঘিরে নতুন রহস্যশিল্পকলায় ‘ইনভিজিবল স্টোরিজ’ নাটকের দুই প্রদর্শনীলবণাক্ত জমিতেও বেশি ফলন দেবে ব্রির নতুন ধাননদী গবেষণা ইনস্টিটিউটে ইন্টার্নশিপের সুযোগ, পাবেন ভাতাআজকের রাশিফল: অফিসে বসের চেয়ারে বসার সুপ্ত বাসনা জাগবে, চাকরি বাঁচাতে সেটি দমন করুনআশুলিয়ায় সকাল থেকেই শ্রমিক পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, জলকামান প্রস্তুতগাজীপুরে আজ ১১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, দায়িত্বে ২৫ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব রোধে নড়েচড়ে বসেছে বিশ্বহরমুজ প্রণালিতে একাধিক বিকট বিস্ফোরণ, ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রেরইউক্রেনে মানবিক সহায়তা বিতরণকেন্দ্রে রাশিয়ার হামলা, নিহত ২৬
বিজ্ঞাপন

নদী-পাহাড় পেরিয়ে আকাশে উড়ল চীনা তরুণের তৈরি হোভারবোর্ড, ভিডিও ভাইরাল

নিজস্ব প্রতিবেদক০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ এএম
নদী-পাহাড় পেরিয়ে আকাশে উড়ল চীনা তরুণের তৈরি হোভারবোর্ড, ভিডিও ভাইরাল

কল্পকাহিনীকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন চীনের ২৬ বছর বয়সী তরুণ সং শিংইউ। নিজেই তৈরি করেছেন মানুষ বহনে সক্ষম উড়ন্ত হোভারবোর্ড। সেই যন্ত্রে চড়ে ইয়াংজি নদী, পাহাড়ের চূড়া ও শহরের ওপর দিয়ে উড়ে নিরাপদে অবতরণও করেছেন তিনি। তার এই দুঃসাহসিক উড্ডয়নের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় দুই মাসের প্রচেষ্টায় উড়ন্ত হোভারবোর্ডটি তৈরি করেন সং।

চীনের হুবেই প্রদেশের এনশি এলাকার বাসিন্দা সং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘অ্যামেজিং আয়ু’ নামে পরিচিত। গত ১৫ অক্টোবর নিজের তৈরি হোভারবোর্ডে চড়ে আকাশে ওড়ার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি।

গ্রামীণ পরিবারে বেড়ে ওঠা সং মাত্র ১৪ বছর বয়সে পড়াশোনা ছেড়ে বাবার কাঠের ব্যবসায় কাজ শুরু করেন। উড়োজাহাজ নিয়ে তার আগ্রহ তৈরি হয় টেলিভিশনে উড্ডয়ন পরীক্ষা-সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠান দেখার পর। এরপর পুরোনো যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করে ছোট উড়োজাহাজের মডেল তৈরি শুরু করেন। নিজের উদ্ভাবনী কাজ চালিয়ে যেতে অনলাইনে বিমানপ্রেমীদের কাছ থেকেও সহায়তা পান তিনি।

২০২২ সালের জুনে ঋণ নিয়ে একটি পরিত্যক্ত ঘরকে গবেষণাগারে রূপান্তর করেন সং। সেখানে বিভিন্ন উড়ন্ত যন্ত্র তৈরির কাজ শুরু করেন। তবে তার উদ্ভাবনের পথ মোটেও সহজ ছিল না। প্রতারণার শিকার হয়ে ২৪ লাখ ইউয়ান ঋণের বোঝায় পড়েন তিনি। পরে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইনস্টা৩৬০ তার কাজের জন্য ১৮ লাখ ইউয়ান অর্থায়ন করে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে বেশ কয়েকবার বিপজ্জনক পরিস্থিতির মুখেও পড়েছেন সং। ২০২৪ সালের মে মাসে ২২ দিন ধরে একটি রিমোট নিয়ন্ত্রিত উড়োজাহাজ তৈরি করেন তিনি। সেটিকে হিলিয়াম বেলুনের সাহায্যে বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে পাঠানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু প্রবল বাতাসে তার অস্থায়ী ক্যাম্প ও প্রস্তুত করা সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে যায়।

এর ছয় মাস পর আরও ঝুঁকিপূর্ণ একটি পরীক্ষা চালান তিনি। নিজের তৈরি জেটচালিত উড্ডয়নযন্ত্র পরে ৫ হাজার মিটার উচ্চতা থেকে হেলিকপ্টার থেকে লাফ দেন। কিন্তু তার প্রধান প্যারাস্যুটটি খুলতে ব্যর্থ হয়। শেষ মুহূর্তে বিকল্প প্যারাস্যুটটি ৬০০ মিটার উচ্চতায় খুললে প্রাণে বেঁচে যান তিনি।

আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...