শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ

বর্তমানে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের হাতে। তবে বিভিন্ন জনমত জরিপে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে আসার ইঙ্গিত পাওয়ায় প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফিরে পাওয়ার আশা করছে ডেমোক্র্যাটরা। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করাও তাদের লক্ষ্য, যদিও এ ক্ষেত্রে লড়াই তুলনামূলক কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইতিহাসে সাধারণত মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দল কংগ্রেসে আসন হারায়। সেই প্রবণতাকে কাজে লাগিয়ে এবার বড় ধরনের বিজয়ের প্রত্যাশা করছে ডেমোক্র্যাটরা। তাদের লক্ষ্য, কংগ্রেসের অন্তত একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষমতার ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।
এদিকে নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পই ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রে। রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে দেশজুড়ে কয়েক ডজন সমাবেশ করেছেন তিনি। নিজের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ (মাগা) সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার পাশাপাশি কার্যত নিজের পক্ষেও ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তবে বিভিন্ন জরিপে তাঁর প্রতি জনসমর্থন ৩৩ থেকে ৩৭ শতাংশে নেমে এসেছে।
ডেমোক্র্যাটদের প্রচারে গুরুত্ব পেয়েছে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়, সরকারি পর্যায়ে দুর্নীতির অভিযোগ এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ব্যাপক অভিবাসনবিরোধী অভিযান, গণগ্রেপ্তার ও বহিষ্কার, বিদেশি পণ্যে শুল্ক আরোপ এবং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানও নির্বাচনী বিতর্কে স্থান পেয়েছে।
নিউইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোববার প্রকাশিত সর্বশেষ জরিপে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনের মধ্যে পাঁচটিতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন বলে উঠে এসেছে। এর মধ্যে টেক্সাস ও কানসাসও রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটরা সিনেট আসন পায়নি।

