গাজার অঙ্গ হারানো ১১৩৪ শিশুকে বিদেশে যেতে দিচ্ছে না ইসরায়েল

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত গাজায় অঙ্গহানির শিকার ২ হাজার ৩০০ জনকে চিকিৎসার জন্য মূল্যায়ন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ই রয়েছেন। তবে এদের মাত্র ৫০০ জন স্থায়ী কৃত্রিম অঙ্গ পেয়েছেন, যা মোট সংখ্যার এক-চতুর্থাংশেরও কম।
ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর জানায়, বর্তমানে গাজায় মাত্র আটজন স্বীকৃত কৃত্রিম অঙ্গ ও অর্থোটিকস বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। কৃত্রিম অঙ্গ তৈরি, সংযোজন, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলোর সমন্বয় করার জন্য পর্যাপ্ত সরঞ্জামও নেই উপত্যকাটিতে।
সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও উপযুক্ত শিক্ষা থেকে শিশুদের বঞ্চিত রাখলে তাদের বর্তমান শারীরিক ক্ষতি আজীবন ভোগান্তিতে পরিণত হতে পারে। চিকিৎসার ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণের অভাব এবং শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৃত্রিম অঙ্গ পরিবর্তন বা সমন্বয় না করা হলে ভবিষ্যতে আরও শারীরিক জটিলতা, দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা এবং চলাফেরায় প্রতিবন্ধকতা দেখা দিতে পারে।

