খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ২ নভেম্বর পরিবহন ধর্মঘট

আগামী ২ নভেম্বর সোমবার ভোর ৬টা থেকে ১ দিনের কর্মবিরতি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার সকল পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের যৌথসভা। এ সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। চুয়াডাঙ্গা জেলা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের এক সভা গতকাল সোমবার চুয়াডাঙ্গা জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি, চুয়াডাঙ্গা জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপাতি স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে খুলনা বিভাগীয় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের খুলনা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর প্রেরিত কর্মবিরতি পালন প্রসঙ্গে পত্র সংযুক্ত করা হয়েছে। এ পত্রে বলা হয়েছে, হাইকোটের আদেশে মহাসড়কে অনুমোদিনবিহীন ও ধীরগতি সম্পন্ন যান চালাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও প্রশাসনের কোন প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই তা বহাল তবিয়তে চলাচল করছে। ফলে মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা, যানজট, দুর্ঘটনা, বাড়ছে। প্রতিনিয়ত যান ও মালের ক্ষতি হচ্ছে। অন্যদিকে যাত্রী পরিবহন ব্যবসায় এই খাতে ব্যবসায়ীরা এক চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। মহাসড়কে যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী বাস ট্রাকের সাথে অনুমোদনবিহীন নসিমন, করিমন, ভটভটি, আলমসাধু, ইজিবাইক, মোটরব্যাটারি চালিত রিকসা ও ভ্যান অনেক সময় প্রতিযোগিতা মূলক চলাচল করায় প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটে। সেক্ষেত্রে যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকের ঢালাওভাবে দায়ী করা হয়। এবং ট্রাকের মালিক শ্রমিকরা আর্থিক ক্ষতিসহ নানা হয়রানীর শিকার হয়। এসব বিষয়ে বহুবার প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অভিযোগ/স্মারকলিপি পেশ করে প্রতিকার চেয়েও পাওয়া যায়নি। সে কারণে গত ১৩ অক্টোবর খূলনা বিভাগের ১০ জেলার সকল পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের যৌথসভায় মহাসড়কে জাতীয় সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ না করার প্রতিবাদে আগামী ২ নভেম্বর সোমবার ভোর ৬টা থেকে ১ দিনের কর্মবিরতি পালন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলা মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।

