যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে লড়াইয়ে রেকর্ড ১২৫ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ

স্বাস্থ্য খাতে ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তিরাও এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। নিউ হ্যাম্পশায়ারের গভর্নর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্বাস্থ্য খাতবিষয়ক আইনজীবী ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী সিন্দে ওয়ার্মিংটন। অন্যদিকে জর্জিয়ায় গভর্নর পদে লড়ছেন জ্যাকসন হেলথকেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিপাবলিকান প্রার্থী রিক জ্যাকসন।
রাটগার্স ইউনিভার্সিটির ‘ইগলটন সেন্টার অন দ্য আমেরিকান গভর্নর’-এর পরিচালক ও ইতিহাসবিদ ড. ক্রিস্টোফার শিল্ডস বলেন, তিনি আগে কখনো রাজনীতিতে এমন ঘটনা দেখেননি। রাজনীতি ও বিজ্ঞানের মধ্যে যোগসূত্র বরাবরই কিছুটা দুর্বল ছিল বলে মনে করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের বর্তমান সদস্যদের ১০ শতাংশেরও কমের চিকিৎসা, জনস্বাস্থ্য বা প্রকৌশল বিষয়ে ডিগ্রি রয়েছে। বিপরীতে, সিনেটরদের ৪৭ শতাংশ এবং প্রতিনিধি পরিষদের ৩১ শতাংশ সদস্যের আইনি ডিগ্রি রয়েছে। সিনেটে বর্তমানে চিকিৎসা খাতের চারজন সদস্য রয়েছেন। তাঁরা সবাই রিপাবলিকান ও পেশায় চিকিৎসক। তাঁরা হলেন ওয়াইওমিংয়ের জন বারাসো, লুইজিয়ানার বিল ক্যাসিডি, ক্যানসাসের রজার মার্শাল এবং কেন্টাকির র্যান্ড পল।
প্রতিনিধি পরিষদে রয়েছেন ১৭ জন চিকিৎসক, চারজন ডেন্টিস্ট, দুজন ফার্মাসিস্ট, একজন নার্স প্র্যাকটিশনার, একজন অপটোমেট্রিস্ট এবং একজন পুনর্বাসন থেরাপিস্ট। রাজ্য পর্যায়ে স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান খাতের পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ আরও কম। রাটগার্স ইউনিভার্সিটির ‘সায়েন্টিস্টস ইন স্টেট পলিটিক্স ডাটাবেস’-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত রাজ্য আইনপ্রণেতাদের মাত্র ৩ শতাংশের চিকিৎসা, বিজ্ঞান বা প্রকৌশল বিষয়ে পেশাগত পটভূমি ছিল। আগের বছরের তুলনায় এই হার ২৫ শতাংশ কম।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র চিকিৎসক গভর্নর হাওয়াইয়ের জশ গ্রিন। অন্য কোনো গভর্নরের জনস্বাস্থ্য বিষয়ে ডিগ্রি নেই। দেশটির ইতিহাসে কোনো চিকিৎসক প্রেসিডেন্টও হননি। নবম প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম হেনরি হ্যারিসন অবশ্য মেডিক্যাল স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু পড়াশোনার খরচ চালাতে না পেরে পরে সামরিক বাহিনীতে যোগ দেন।

