রামেক হাসপাতাল: পোড়া এক্স-রে মেশিন পকেট কাটছে সিন্ডিকেট

এ ঘটনায় হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক তৌফিকুল ইসলামকে সভাপতি করে ৯ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক তৌফিকুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত সময়েই তাঁরা হাসপাতালের পরিচালকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তবে তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না।
এদিকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে মুখে মাস্ক পরা এক ব্যক্তিকে পোর্টেবল এক্স-রে মেশিনে আগুন দিয়ে পালিয়ে যেতে দেখা গেলেও তাঁর পরিচয় উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আকরাম হোসেন বলেন, পোর্টেবল এক্স-রে মেশিনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় কাউকে শনাক্ত করা যায়নি। এ কারণে আদালতে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।
এদিকে পোর্টেবল এক্স-রে মেশিন পুড়ে যাওয়ার পর হাসপাতালে পোর্টেবল এক্স-রে মেশিন আনেন পরিচালকের ছোট ভাই মো. লিটন। বিষয়টি জানাজানি হলে লিটনের পোর্টেবল এক্স-রে মেশিনটি যাতে হাসপাতালে আর ঢুকতে না পারে, সেই ব্যবস্থা নেয় কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে জানতে গত সোমবার রাতে মো. লিটনকে ফোন করা হয়। প্রশ্ন শুনেই তিনি বলেন, ‘এসব বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই ভাই। আমার ভাই হাসপাতালের পরিচালক, তিনি চাকরি করেন। তাঁর আলাদা সংসার, আমার আলাদা সংসার।’ এরপরই তিনি মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

