চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষকদের নতুন বেতন নির্ধারণের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

শিক্ষকেরা বলছেন, পে ফিক্সেশনের নামে অর্থ সংগ্রহের বিষয়ে কোনো সরকারি নির্দেশনা রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। শিক্ষকপ্রতি ১০০ থেকে ৩০০ টাকা আদায়ের নির্দেশ কে দিয়েছেন, সংগৃহীত অর্থ কোথায় যাচ্ছে এবং এর সঙ্গে কোনো কর্মকর্তা জড়িত কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা উচিত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা তাসলিমা নাসরিন বলেন, ‘পে ফিক্সেশনের কাজ শিক্ষকদের নিজেদেরই করার কথা। কয়েকজন শিক্ষক একসঙ্গে বসে নিজেরাই এ কাজ করছেন। কাজ শেষে প্রয়োজনীয় ফাইল তৈরি করে বিদ্যালয়ের মাধ্যমে আমার দপ্তরে জমা দেওয়া হচ্ছে।’
এ শিক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘পে ফিক্সেশনের জন্য টাকা নেওয়া হচ্ছে কি না, তা-ও আমার জানা নেই। আমার দপ্তর থেকে এ ধরনের কাজের জন্য কোনো টাকা নেওয়া হয় না। তাই এ বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলতে পারছি না।’
এ বিষয়ে জানতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অহীন্দ্র কুমারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

