ফরিদপুরে ধর্ষণ ও অপহরণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

দণ্ডপ্রাপ্ত শরিফুল ইসলাম পাবনা জেলার আতাইকুলা উপজেলার নন্দনপুর গ্রামের শাহাদাৎ শেখের ছেলে। সে সম্পর্কে ভুক্তভোগী কিশোরীর সৎ ফুফা। রায় ঘোষণার সময় অনুপস্থিত থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় এবং দুটি সাজাই একসঙ্গে চলবে বলে আদালত জানায়।
এ ছাড়া অপর মামলার বিষয়ে আদালত সূত্রে জানা যায়, মধুখালী উপজেলার একটি কওমি মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগে অধ্যয়নরত ছিল ১১ বছরের এক কিশোরী। প্রতিদিনের মতো ২০২৪ সালের ২৭ জুন অপর দুই সহপাঠীর সঙ্গে রাতে মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে সে। রাত ১টার দিকে কক্ষে প্রবেশ করে তিনজন কিশোরীকে কৌশলে পার্শ্ববর্তী রান্নাঘরে নিয়ে যায় ওই বৃদ্ধ।
এ সময় তিনজনকে যৌন হয়রানির চেষ্টা করলে অপর দুজন দৌড়ে চলে আসে এবং ওই কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
এ ঘটনায় ৭ জুলাই মধুখালী থানায় মামলা করেন ওই শিক্ষার্থীর মা। ওই মামলায় ২৬ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার টাকা আদায় করে ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবারকে দেওয়ার জন্য জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
দুটি রায়ের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন। তিনি বলেন, দুটি রায়েই রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

