সরকারি কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) ও প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের (সিপিএফ) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মুনাফার হার নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন অর্থবছরে জিপিএফের প্রারম্ভিক স্থিতির ক্ষেত্রে আগের হার অপরিবর্তিত থাকলেও জমাকৃত চাঁদার সর্বোচ্চ মুনাফা ১২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৩ শতাংশ করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগের প্রবিধি-১ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ নাহিদুল করিম।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জিপিএফের প্রারম্ভিক স্থিতি ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে ১৩ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যাবে। ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির জন্য মুনাফার হার ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ ১ টাকা বা তার বেশি হলে প্রযোজ্য হার হবে ১১ শতাংশ। প্রারম্ভিক স্থিতির ক্ষেত্রে এই হার গত অর্থবছরের মতোই রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জমাকৃত চাঁদার ক্ষেত্রেও তিনটি স্তরে মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমার ওপর ১৩ শতাংশ, ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ ১ টাকা থেকে তার বেশি জমার ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ মুনাফা দেওয়া হবে।
গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জমাকৃত চাঁদার ক্ষেত্রে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ১২ শতাংশ এবং এর বেশি জমার ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ মুনাফা নির্ধারিত ছিল। সে হিসাবে নতুন অর্থবছরে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমাকৃত চাঁদার মুনাফা এক শতাংশীয় পয়েন্ট বাড়ানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১৯৭৯ সালের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল বিধিমালার ১২(১) বিধি এবং একই বছরের প্রদেয় ভবিষ্য তহবিল বিধিমালার ১২ বিধির আওতায় জিপিএফ ও সিপিএফের মুনাফার এসব হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলভুক্ত সব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা সমান নয়। তাই স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের আর্থিক বিধিবিধান অনুযায়ী ছকে নির্ধারিত স্তরভিত্তিক হারকে সর্বোচ্চ সীমা ধরে কর্মচারীদের জন্য মুনাফার হার নির্ধারণ করতে পারবে।


