ঘুষের সত্যতা মেলেনি, সেই ম্যাজিস্ট্রেটকে ছেড়ে দিল পুলিশ

ওসি খালিদ মুনসুর এশিয়া পোস্টকে বলেন, ম্যাজিস্ট্রেটকে আটক করা হয়নি; বরং পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। তিনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করতে সেখানে গিয়েছিলেন। সিটি করপোরেশনের একটি দল হকার উচ্ছেদে অভিযান চালাচ্ছিল।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ওসি বলেন, পাকার মাথা এলাকায় একটি ফলের দোকানে জরিমানা করেছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট। তবে জরিমানার রসিদ দিতে দেরি হওয়ায় দোকানির সঙ্গে তার বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সেখানে লোকজন জড়ো হন। পরে পুলিশের একটি দল গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ম্যাজিস্ট্রেট চলে যান। বিকেলেই তিনি চলে গেছেন। পুরো মোবাইল কোর্টের দলই সেখানে উপস্থিত ছিল।
ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি খালিদ মুনসুর বলেন, এ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। জরিমানার রসিদ দিতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করেই মূলত বাগবিতণ্ডা হয়েছিল। সময়মতো রসিদ দিতে না পারায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কেন উপস্থিত ছিলেন না, এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, অভিযানটি প্রথমে পূর্ব থানা এলাকায় পরিচালিত হয়েছিল। সেখানে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় অভিযান শুরু করার সময় আমাদের অবহিত করা হয়নি। হয়তো অবহিত করতো।

