‘আমার বাবুটা চিরদিনের জন্য আব্বু ডাকার মানুষটাকে হারাল’

কথা বলতে গিয়ে স্বামীর সঙ্গে কাটানো শেষ মুহূর্তগুলোর স্মৃতিচারণা করেন সেতু মনি। তিনি বলেন, ‘তোমরা হামাক ছাড়ি গেইল। অ্যালা হামাক কে দেখিবে গে। হামার সব শেষ হয়ে গেল। কে জানত, আমার আর আমার সন্তানের সঙ্গে শেষ দেখা হবে। ওই দিন সকালে বাবুটা কোলে নিয়ে মুখে-চোখে চুমা দিয়ে আদর করছিল। আমি রান্না করছিলাম। অফিসে যাওয়ার সময় বলে গেল, বাবুর জন্য দুধ কিনে আনমো। বাবুর দুধ আনল না। চোখ বন্ধ করে ঘুমে নিথর দেহটা আসল।’
সেতু মনি বলেন, ছেলে সিয়ামকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল তৌফিকের। সন্তান যা খেতে পছন্দ করত, কাজ শেষে তা কিনে আনতেন তিনি। ছেলের ছোট ছোট আবদার পূরণ করতেই আনন্দ পেতেন। এখন বাবার স্নেহ থেকে বঞ্চিত হয়ে কীভাবে বড় হবে সন্তান, সেই চিন্তাই তাঁকে কুরে কুরে খাচ্ছে।
সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন

