রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
কর্মজীবনে যেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার প্রতিফলন না ঘটে: ৪৫তম বিসিএস কর্মকর্তাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীপাঁচ বছর ধরে অচল সংযোগ সেতু, ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যাচ্ছে শিশুরানড়াইলে জানালার গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে ডাকাতদল, স্বর্ণালঙ্কার লুট‎ঢাকার পরিবহনব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর অবস্থানে প্রধানমন্ত্রী: এমপি শিমুল বিশ্বাস ‎জীবননগরে এইচএসসিতে ছেলেদের মধ্যে একমাত্র জিপিএ-৫ পেলেন শিমুলমুজিবনগরে জাতীয় যুব দিবস পালিত: সনদ ও ঋণ বিতরণমুজিবনগরে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত: ঋণ ও সনদ বিতরণতাহসিফের মৃত্যুর পর আত্মগোপনে যান দিশা, গ্রেপ্তার হলেন যেভাবেখুলল সেন্টমার্টিন, অনুমোদন না মেলায় বন্ধ জাহাজ চলাচলবিএম কলেজের ছাত্রাবাসের সড়ক নির্মাণ দ্রুত শেষ করার দাবি, বহিরাগত ঠেকাতে স্মারকলিপি
বিজ্ঞাপন

ট্রেন ভ্রমণে ভোগান্তি দূর করতে দেশীয় তরুণের ‘বিডি ট্রেন ট্র্যাকিং’ অ্যাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক০১ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
ট্রেন ভ্রমণে ভোগান্তি দূর করতে দেশীয় তরুণের ‘বিডি ট্রেন ট্র্যাকিং’ অ্যাপ

ট্রেন ভ্রমণে নানাভাবে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। কখনও ট্রেন ছাড়ে দেরিতে, কখনও আবার লাইনচ্যুত হয়ে চলাচলই বন্ধ হয়ে যায়। ফলে স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয় যাত্রীদের। এই ভোগান্তির কথা ভেবেই দেশীয় তরুণের উদ্ভাবন ট্রেনের লাইভ ট্র্যাকার অ্যাপ।

‘বিডি ট্রেন ট্র্যাকিং’ বাংলাদেশের ট্রেনের লাইভ অবস্থান জানার একটি কমিউনিটি-চালিত মোবাইল অ্যাপ। এই অ্যাপে ট্রেনে থাকা যাত্রীরা নিজেদের অবস্থান শেয়ার করেন, আর তা থেকে অন্য সবাই জানতে পারেন ট্রেনটি এই মুহূর্তে কোথায়, কত গতিতে চলছে, পরবর্তী স্টেশন কোনটি এবং নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কত দেরিতে চলছে।

স্টেশনে অপেক্ষমাণ যাত্রী, প্রিয়জনকে আনতে যাওয়া মানুষ কিংবা ট্রেনে থাকা যাত্রী; সবার জন্যই অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই এটি পাওয়া যাচ্ছে।

অ্যাপটি তৈরি করেছেন মো. আল আমিন; যিনি গতিশীল ভেঞ্চারস নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। অ্যাপটির পরিকল্পনা, নকশা ও নির্মাণ; শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সবই তিনি নিজে করেছেন।

ধারণার জন্ম যেভাবে

আল আমিন বলেন, ‘ট্রেনে ভ্রমণ করতে আমি খুব ভালোবাসি। জানালার পাশে বসে দেশের মাঠ-ঘাট, নদী আর গ্রাম দেখতে দেখতে যাওয়ার আনন্দ অন্য কোনো যানবাহনে পাওয়া যায় না। কিন্তু প্রায়ই একটি দৃশ্য আমাকে কষ্ট দিত তা হলো- ট্রেন অনেক দেরিতে চলত, আর স্টেশনে শত শত মানুষ অপেক্ষা করত। কেউ জানেন না ট্রেনটি এখন কোথায়, কখন আসবে।’

এমন অনিশ্চয়তায় মানুষের মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। কেউ সময়মতো অফিসে পৌঁছাতে পারেন না, কেউ পরীক্ষা বা চাকরির সাক্ষাৎকারে দেরি করে ফেলেন, কেউ হারান জরুরি কাজ বা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কোনো মুহূর্ত।

‘তখন ভাবলাম, ট্রেনে থাকা যাত্রীরাই যদি নিজেদের অবস্থান শেয়ার করেন, তাহলে অপেক্ষায় থাকা সবাই জানতে পারবেন ট্রেনটি কোথায় আছে এবং সেই অনুযায়ী নিজেদের সময় পরিকল্পনা করতে পারবেন। সেই ভাবনা থেকেই বিডি ট্রেন ট্র্যাকিং; যাত্রীদের দ্বারা, যাত্রীদের জন্য’, বলেন তিনি।

অ্যাপে যা যা আছে

ট্রেনের অবস্থান ও সময়: অ্যাপে মানচিত্রে ট্রেনের বর্তমান অবস্থান, গতি, পরবর্তী স্টেশন ও বিলম্ব দেখা যায়। এই মুহূর্তে দেশে কোন কোন ট্রেন চলছে, তা এক তালিকায় ও এক মানচিত্রে দেখা। স্যাটেলাইট মানচিত্রে ট্রেনের সঙ্গে সঙ্গে চলার অভিজ্ঞতা। পুরো যাত্রাপথ, প্রতিটি স্টেশনে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময় ও বিলম্ব। আগামী এক ঘণ্টায় কোন ট্রেন আপনার স্টেশনে আসছে, প্ল্যাটফর্মসহ। নাম, নম্বর বা দুই স্টেশনের মধ্যে খোঁজা যায়; এমনকি কথা বলেও।

যাত্রীদের কমিউনিটি

ট্রেন চ্যাট:একই ট্রেনের যাত্রীরা সরাসরি একে অপরের সঙ্গে কথা বলতে পারেন, ট্রেন কোথায় আটকে আছে, কত দেরি হবে, কোন বগিতে ভিড় কম, প্ল্যাটফর্ম বদল হয়েছে কি না। স্টেশনে অপেক্ষমাণ কেউ প্রশ্ন করলে ট্রেনে থাকা যাত্রীরাই উত্তর দেন। প্রতিদিন অ্যাপে গড়ে প্রায় ১৫ হাজার চ্যাট বার্তা আদান-প্রদান হয়। নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে মডারেটর রয়েছেন, এবং যেকোনো আপত্তিকর বার্তা রিপোর্ট বা ব্যবহারকারীকে ব্লক করার সুবিধা আছে।

আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...