নির্বাচনে দল পরাজিত হওয়ায় ট্রাম্পের শুল্ক ও অভিবাসন নীতির কী হবে

বুধবার (৪ নভেম্বর) আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়—গত বছর প্রায় ৯০টি দেশের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর যুক্তিতে নেওয়া এ পদক্ষেপ বিশ্ববাজারে অস্থিরতা তৈরি করে। গত ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট শুল্ক আরোপের ওই সিদ্ধান্ত বাতিল করলেও বিকল্প আইনি ব্যবস্থায় নতুন করে শুল্ক আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন। পরে শুল্কের হার ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়। তবে এসব শুল্কের মেয়াদ ১৫০ দিন, যা বাড়াতে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।
ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, শুল্কের কারণে আমদানি ব্যয় বেড়ে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মার্কিন ভোক্তাদের ওপরই চাপ তৈরি হচ্ছে। নতুন কংগ্রেস রপ্তানিকারকদের সাময়িক স্বস্তি দিতে কিছু পণ্যে শুল্ক ছাড়ের উদ্যোগ নিতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক বাণিজ্যনীতিতে বড় পরিবর্তনের জন্য ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

