ইরান যুদ্ধে শিগগির সুখবর নেই, সুবিধা পাবে ইউক্রেন

এ প্রসঙ্গে ডয়চে ভেলের সাবেক সাংবাদিক এবং বর্তমানে ব্লুমবার্গ গভর্নমেন্টের সম্পাদক ব্র্যান্ডন কনরাডিস বলেন, ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করে বিভিন্ন সময়ই বলেছে, বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনের জন্য যথেষ্ট কিছু করছেন না। তাঁরা এমন আইন প্রণয়নের জন্য চাপ দিতে পারেন, যার মাধ্যমে ইউক্রেনকে আরও সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হবে।
শুল্ক নীতিতে স্বস্তি আসতে পারে
গত বছর মার্কিন বাণিজ্যঘাটতি কমানোর লক্ষ্যে প্রায় ৯০টি দেশের ওপর ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেন ট্রাম্প। বিশ্ববাজারকে অস্থির করে তোলা এই পদক্ষেপ ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দিলেও ট্রাম্প প্রশাসন সেই রায় এড়ানোর বিকল্প পথ বের করেছে।
সুপ্রিম কোর্টের ৬-৩ ভোটের রায়ের কয়েক দিন পর ট্রাম্প ভিন্ন একটি আইনের অধীনে নির্বাহী আদেশে সই করে শুল্কনীতিতে আরও অনড় অবস্থান নেন এবং তা ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করেন। তবে কংগ্রেস কর্তৃক মেয়াদ বাড়ানো না হলে এই শুল্কের কার্যকারিতা ১৫০ দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
ট্রাম্পের শুল্কনীতিকে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সংকট আরও তীব্র করার জন্য দায়ী করেছেন ডেমোক্র্যাটরা। কারণ, এই শুল্কের চূড়ান্ত বোঝা শেষ পর্যন্ত মার্কিন আমদানিকারকদের ওপরই পড়ে, যা তারা ভোক্তাদের ওপর চাপিয়ে দেন। এ কারণে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘আমেরিকান জনগণের পকেট কাটার’ অভিযোগ তুলেছেন ডেমোক্র্যাটরা। মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস হয়তো কিছু ছাড় বা ব্যতিক্রমের দাবি তুলতে পারে, যা রপ্তানিকারকদের কিছুটা স্বস্তি দেবে, তবে মার্কিন বাণিজ্যনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের জন্য ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এবং হোয়াইট হাউসে নতুন প্রেসিডেন্ট আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

