ইরানকে ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা দিচ্ছে রাশিয়া

এ ছাড়া রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা শিল্পগোষ্ঠী রোস্তেকের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ২০২৩ সালের উৎপাদন সূচিতেও ‘কে-১০ ’-এর জন্য ছয়টি ইয়াক-১৩০ বিমানের উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে বছরের প্রথমার্ধে দুটি এবং দ্বিতীয়ার্ধে চারটি বিমান উৎপাদনের পরিকল্পনা ছিল।
উৎপাদন সূচির সঙ্গে প্রকাশ্যে আসা সরবরাহের তথ্যেরও মিল পাওয়া গেছে। ২০২৩ সালে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছিল, দেশটি দুটি ইয়াক-১৩০ বিমান পেয়েছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ ছয়টি বিমানই ইরানের কাছে সরবরাহ করা হয়।
তবে ইরানের জন্য নির্ধারিত ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার শেষ পর্যন্ত সরবরাহ করা হয়েছে কি না, উৎপাদনসংক্রান্ত নথি থেকে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
রুশ বাহিনীর ব্যবহৃত নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র
এপিইউ-এল ও এপিইউ-৩০৫ উভয় ধরনের লঞ্চারই রাশিয়ার হালকা ও বহুমুখী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র এলএমইউআর (LMUR) বা ইজদেলিয়ে-৩০৫ (Izdeliye 305) বহনের জন্য তৈরি। ক্ষেপণাস্ত্রটি চলমান লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ২০২১ সালে রাশিয়ার আর্মি এক্সপোতে প্রথমবারের মতো ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রদর্শন করা হয়। ২০২২ সালে এটি রুশ সামরিক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়। এরপর থেকে ইউক্রেনে রুশ বাহিনী ব্যাপকভাবে ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যবহার করছে।
ডালাস অ্যানালিটিকসের এক প্রতিনিধি জানান, ক্ষেপণাস্ত্রটি ড্রোনের তুলনায় অনেক দ্রুতগতির এবং লক্ষ্যবস্তুতে অনেক কম সময়ে পৌঁছাতে সক্ষম। প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২৩০ মিটার গতিতে চলতে পারে এটি। ফলে এক মিনিটে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে।

