শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
ফটিকছড়িতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ‘বিভ্রান্তিকর ও অসত্য’ দাবি জামায়াতেরবাবা-মায়ের সঙ্গে নদীতে গোসলে নেমে শিশু নিখোঁজব্রাহ্মণপাড়ায় গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনমাতৃত্বের কঠিন সময় পাড়ি দিচ্ছেন মিলেনিয়াল নারীরাশেখ হাসিনার ফেরা নিয়ে বরগুনায় ছাত্রলীগের মাইকিংপ্রথম ইনিংসে ব্যাট করার অবস্থায় নেই সাদমান, স্ক্যানের রিপোর্ট শনিবারইউটিউবার, আর্য সমাজ আর খাপ পঞ্চায়েতের চাপে হরিয়ানার ভণ্ড ধর্মগুরুরাসরকার জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি করেছে: মামুনুল হকসিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রীমানবপাচারকারীদের গুলিতে সেনাসদস্য নিহতের ঘটনায় জামায়াতের শোক
বিজ্ঞাপন

জানুন যুক্তরাজ্যের শীতকালীন উৎসবের অন্দরে কী থাকে

নিজস্ব প্রতিবেদক০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১০ পিএম
জানুন যুক্তরাজ্যের শীতকালীন উৎসবের অন্দরে কী থাকে

মার্সি নদীর তীরে আলোর বন্যা

ইংল্যান্ডের লিভারপুলে পা রাখলে দেখবেন, মার্সি নদীর তীর আর শহরের আইকনগুলো রঙিন আলোয় ঝলমল করছে। ইউরোপের বড় বড় লাইট ফেস্টিভ্যালগুলোতে সাধারণত চড়া মূল্যের টিকিট কাটতে হয়, কিন্তু লিভারপুলের মার্সি নদীর তীরের এই ফেস্টিভ্যালটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও ফ্রি। এখানে কোনো এন্ট্রি গেট বা লাইন ধরার ঝামেলা নেই। টুগেদার থিম সামনে রেখে এখানে ছয় মিটার উঁচু পিয়োনি ফুল কিংবা জ্যাক-ইন-দ্য-বক্সের মতো অবাক করা শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়। শিল্প ও সাধারণ মানুষের দূরত্ব ঘুচিয়ে শহরকে এক মিলনমেলায় পরিণত করাই এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য।

হ্যালোইনের প্রচলিত গা ছমছমে ভয়ের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে গ্লুচেস্টারশায়ারের স্লিমব্রিজ ওয়েটল্যান্ড সেন্টার নিয়ে এসেছে এক অভিনব আয়োজন। ছবি: সংগৃহীত
হ্যালোইনের প্রচলিত গা ছমছমে ভয়ের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে গ্লুচেস্টারশায়ারের স্লিমব্রিজ ওয়েটল্যান্ড সেন্টার নিয়ে এসেছে এক অভিনব আয়োজন। ছবি: সংগৃহীত

স্লিমব্রিজের মিস্টিক্যাল মার্শ ও রাতের বন্যপ্রাণী

হ্যালোইনের প্রচলিত গা ছমছমে ভয়ের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে গ্লুচেস্টারশায়ারের স্লিমব্রিজ ওয়েটল্যান্ড সেন্টার নিয়ে এসেছে এক অভিনব আয়োজন। হ্যালোইনের ভূত-ভয় বা ভীতিপ্রদ পরিবেশ যাদের ভালো লাগে না, তাদের জন্য এটি এক চমৎকার বিকল্প। এখানে ভয়ের কোনো ব্যাপার নেই, বরং জলাভূমির আসল জীবজন্তুদের নিয়ে তৈরি বিশাল সব আলো ঝলমলে লণ্ঠন প্রকৃতির এক মায়াবী রূপ ফুটিয়ে তোলে। জলাভূমির প্রাকৃতিক রূপের আদলে তৈরি বিশাল সব হস্তনির্মিত লণ্ঠন যেমন দৈত্যাকার ব্যাঙ বা মাছরাঙা, পুরো পরিবেশকে এক মায়াবী রূপ দেয়। একই সঙ্গে লিংকনশায়ারের পেঁচা দেখা কিংবা মার্সহেডে কাঁচের ঘরের ভেতর থেকে ব্যাজারদের খাবার খাওয়ার দৃশ্য দেখার মতো আয়োজনগুলো বন্যপ্রাণীর প্রতি মানুষের কৌতূহল ও ভালোবাসাকে জাগিয়ে তোলে।

শীতের এই দীর্ঘ রাতগুলো কেবল কম্বলের নিচে গুটিসুটি মেরে কাটানোর জন্য নয়। এই সময়টা প্রকৃতির রূপ বদলে যাওয়ার এই সময়টা আমাদের মনে করিয়ে দেয় অন্ধকার যতই দীর্ঘ হোক না কেন, আলো, শিল্প আর মানবীয় উষ্ণতা মিলে তাকে ঠিকই জাদুকরী করে তুলতে পারে।

সূত্র:দ্য গার্ডিয়ান

লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...