রমেক হাসপাতাল: সুস্থ হতে এসে মৃত্যুভয়

আশিকুর আরও বলেন, ‘হাসপাতালে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম। পুরোনো ওয়্যারিং এবং বিদ্যুতের অতিরিক্ত চাহিদা—এই দুই কারণে বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা ঘটছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। বৈদ্যুতিক তারগুলো পরিবর্তন করা গেলে শর্টসার্কিটসহ বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।’
গণপূর্ত বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘হাসপাতালের অনেক চিকিৎসক ও পরামর্শক নিজ উদ্যোগে এসি স্থাপন করেছেন।
এসব এসি স্থাপনের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বা পরিকল্পনা অনুসরণ করা হয়নি।’
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘হাসপাতালের বিভিন্ন স্থান থেকে বৈদ্যুতিক কেব্ল ও এসির পাইপ চুরি হয়। মূল কেব্ল চুরি হলে একই মানের কেব্ল সব সময় প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হয় না। নিম্নমানের কেব্ল দিয়ে সংযোগ চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহে বাধা তৈরি হয়। এতে তার গরম হয়ে শর্টসার্কিটের ঝুঁকি বাড়ে।’

