পাঁচ বছর না যেতেই ২৩৮ কোটি টাকার সড়ক বেহাল

সরেজমিনে দেখা গেছে, সৈয়দপুর থেকে নীলফামারী হয়ে ডোমার পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশে কার্পেটিং উঠে গেছে। কোথাও সড়কের উপরিভাগে ফাটল, আবার কোথাও মাটি ফুলে উঁচু ঢিবির আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় ভাঙা অংশ এড়িয়ে চলতে গিয়ে চালকেরা প্রায়ই বিপরীত দিকের লেনে চলে আসায় মুখোমুখি সংঘর্ষ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে।
সড়কটি মূলত দুটি ভিন্ন অংশে নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে সৈয়দপুর-নীলফামারী ১৫ দশমিক ৩২১ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের ২ আগস্ট এবং শেষ হয় ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। অন্যদিকে নীলফামারী-ডোমার ২২ দশমিক ৭৪ কিলোমিটার জেলা সড়কের কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালে এবং শেষ হয় ২০২৩ সালে। দুটি অংশ মিলিয়ে প্রায় ২৩৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়কটি এখন বেহাল। স্থানীয়রা জানান, নিম্নমানের নির্মাণকাজ ও তদারকির অভাবে সড়কটির এই অবস্থা।
স্থানীয় রায়হান সবুক্তগীন বলেন, সড়কের কোথাও কোথাও অংশবিশেষ সংকুচিত হয়ে উঁচু হয়ে আছে, যা মোটরসাইকেল বা গাড়ি চালকদের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। বিশেষ করে রাতে চলাচল করা দুরূহ হয়ে পড়ে এবং ছোট যানগুলো প্রায়ই ছিটকে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে।
নিয়মিত যাতায়াতকারী শামীম সরকার বলেন, রাস্তা ভাঙা থাকায় নানা বিপাকে পড়তে হয়। পাশের লেন ভাঙা থাকায় বাস বা ট্রাক অন্য সাইডে চলে আসে। কিছুদিন আগেই এ ধরনের পরিস্থিতিতে স্থানীয় একজন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।

