লোগো
Advertisement

চুয়াডাঙ্গায় ৫ চেক ডিজঅনার মামলায় ৫ আসামির এক বছর করে কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ এএম
Advertisement

চুয়াডাঙ্গায় চেক ডিজঅনারের পৃথক পাঁচ মামলায় পাঁচ আসামিকে এক বছর করে কারাদণ্ড ও সমপরিমাণ অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

সোমবার চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাজাহান আলীর আদালত পৃথক মামলাগুলোর বিচারিক কার্যক্রম শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণ ও বকেয়া পাওনা পরিশোধের জন্য আসামিরা নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবের চেক দেন। নির্ধারিত সময়ে চেকগুলো ব্যাংকে জমা দিলে সংশ্লিষ্ট হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সেগুলো ডিজঅনার হয়।

পরে পাওনাদারদের পক্ষ থেকে আইনি নোটিশ পাঠানো হলেও পাওনা টাকা পরিশোধ করা হয়নি। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট বাদীরা আদালতে পৃথক পাঁচটি মামলা করেন।

মামলাগুলোর বিচার চলাকালে আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের সমপরিমাণ অর্থদণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—দর্শনা থানার রামনগর গ্রামের মো. আক্তারুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. লিপি বেগম। সি.আর-৭০/২৪ মামলায় তাকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং ৭৮ হাজার ৮০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরএস বাংলাদেশ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধের জন্য তিনি মেসার্স জনতা ব্যাংক লিমিটেডের একটি চেক দিয়েছিলেন।

দামুড়হুদা থানার পুরাতন হাউলী গ্রামের মো. আব্দুর রশিদের স্ত্রী মোছা. সেলিনা খাতুনকে সি.আর-৩৫১/২৪ মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড ও ৭৪ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য তিনি রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের একটি চেক দিয়েছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার শ্রীকোল গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী মোছা. মধুমিতাকে সি.আর-৯৮৪/২৩ মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার ২১০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সিও এনজিওর ঋণ পরিশোধের জন্য তিনি শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের একটি চেক প্রদান করেছিলেন।

মেহেরপুরের গাংনী থানার গোপালনগর গ্রামের মো. আব্দুল লতিফের ছেলে মো. আনিচুর রহমানকে সি.আর-২৮৫/২৫ মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড ও ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৮০৯ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের একটি চেক দিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, মেহেরপুর জেলার থোকসা গ্রামের মো. তৌহিদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. গোলাপী খাতুনকে সি.আর-৯১৩/২৪ মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড ও ৭৩ হাজার ৭৯৪ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সিও এনজিওর পাওনা পরিশোধের জন্য তিনি উত্তরা ব্যাংক লিমিটেডের একটি চেক দিয়েছিলেন।

রায় ঘোষণার সময় আদালত জানান, পাঁচ আসামিই পলাতক থাকায় তাদের গ্রেফতারের পর থেকে দণ্ডাদেশ কার্যকর হবে।

আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...