কালিয়াকৈরে দফায় দফায় অবরোধের চেষ্টা, আতঙ্ক নিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল

এদিকে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা বলেন, ‘শুধু মজুরি কমিশন বোর্ড গঠন করলেই হবে না। আমাদের ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করতে হবে। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’
সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান বলেন, ‘শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক। তাঁদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার নিয়ে সরকার কাজ করছে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই শিল্পকারখানা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, রাস্তা-ঘাট অবরোধ করে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগে ফেলা যাবে না। ধৈর্য ধরুন, ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকুন। সরকারের পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য ভালো খবরই আসছে।’
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহশ্রমবিষয়ক সম্পাদক হুমায়ূন কবীর খান বলেন, ‘শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখতে হবে। একই সঙ্গে শিল্পকারখানা ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। তবে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান করতে হবে।’
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন, ‘বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা বারবার মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তারপরও সারাদিন মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। তবে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিজিবিসহ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’

