গাংনী নির্বাচন অফিসে এনআইডি সেবায় ভোগান্তি

সেবাপ্রত্যাশী মো. অন্তর আলী বলেন, ‘আমি নিয়ম মেনে এনআইডির জন্য আবেদন করেছি। এক মাসের বেশি সময় পার হলেও কোনো সমাধান পাইনি। বারবার অফিসে গেলেও বিভিন্ন অজুহাতে ফিরে দেওয়া হচ্ছে। টাকা দিলে দ্রুত কাজ হয় বলে শুনেছি।’
মনিরুল ইসলাম নামের আরেক সেবাপ্রত্যাশী বলেন, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই পরিচয়পত্রের জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করালে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। অর্থের বিনিময়ে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
মো. ওবায়দুর রহমান নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘মানুষ দ্রুত সেবা পাওয়ার আশায় নির্বাচন অফিসে আসেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে নানা অজুহাতে ফিরে যেতে হয়। টাকা দিলে দ্রুত কাজ হয়—এমন কথাও মানুষের মুখে শুনেছি।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে গাংনী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। সবাইকে সেবা দিতে কাজ করে যাচ্ছি।’
মেহেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. এনামুল হক বলেন, ‘নির্বাচন অফিসে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে খোঁজখবর নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অফিসের কেউ আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

